বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ বৃহস্পতিবার মার্কের করোনা বড়ির অনুমোদন দেয় এফডিএ। গতকালই ফাইজারের করোনা বড়ি প্যাক্সলোভিড অনুমোদন দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

মার্কের মুখে খাওয়ার করোনা বড়ি মলনুপিরাভির যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বাইরে ‘এমএসডি’ নামে পরিচিত। সাধারণত করোনার উপসর্গ দেখা দেওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে এই ওষুধ গ্রহণ করতে হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর হার ৩০ শতাংশ কমাতে পারে ওষুধটি।

এফডিএ বলছে, মার্কের এই বড়ি ১৮ বছরের কম বয়সী কেউ সেবন করতে পারবে না। অনুমোদন মেলেনি অন্তঃসত্ত্বা নারীদের ক্ষেত্রেও। তবে চিকিত্সকেরা পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাঁদের ওপর ওষুধটি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

ফাইজারের বড়ি পরীক্ষা করে দেখা গেছে দেখা গেছে, এটি করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর ঝুঁকি ৮৮ শতাংশ কমায়। তবে ১২ বছর বয়সের নিচের কেউ এই বড়ি সেবন করতে পারবে না।

এদিকে এফডিএর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মার্ক ও ফাইজারের বড়ি টিকার বিকল্প নয়। করোনা মোকাবিলায় টিকার সহায়ক হিসেবে কাজ করবে মুখে খাওয়া এই ওষুধ।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন