বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন ডিসির পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয়েছে জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির হাসপাতালের চিকিৎসক জেমস ফিলিপসের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘এমন পরিস্থিতি আমরা আগে দেখিনি। এমনকি, এর আগে যখন সংক্রমণ সর্বোচ্চ চূড়ায় ছিল তখনো পরিস্থিতি এমন ছিল না।’ জেমস ফিলিপস যখন এই কথাগুলো বলছেন তখন যুক্তরাষ্ট্রে সংক্রমণের নতুন রেকর্ড হয়েছে। ওয়ার্ল্ডোমিটার্সের দেওয়া তথ্য অনুসারে, দুই দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে সংক্রমণ চার লাখের বেশি। আর জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুসারে, এক সপ্তাহ ধরে সেখানে সংক্রমণ তিন লাখের বেশি।

শুধু ওয়াশিংটন ডিসির এমন অবস্থা নয়। নিউ জার্সি, নিউইয়র্ক থেকে আরাকানসাস এবং শিকাগোতে একই পরিস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এসব এলাকার হাসপাতালের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন চিকিৎসকেরা। অ্যারিজোনা ও নিউ মেক্সিকোয় ফেডারেল মেডিকেল কর্মকর্তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে মোতায়েন করা হয়েছে সেবা দেওয়ার জন্য।

জর্জিয়ার কিছু এলাকার হাসপাতালে সম্প্রতি রোগী দ্বিগুণ হয়েছে। যাদের হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে তাদের অধিকাংশই টিকা নেননি। সেখানকার হাসপাতালগুলোর পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হচ্ছে, করোনার পরীক্ষা অন্য কোথাও করুন। যাতে জরুরি বিভাগের রুমগুলোয় রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া যায়।

লুইজিয়ানায় দুই সপ্তাহের ব্যবধানে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা তিনগুণ বেড়েছে। এখানেও সংক্রমণের রেকর্ড হয়েছে। অঙ্গরাজ্যের লেক রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টার মুখ্য চিকিৎসক ক্যাথরিন ও’নিল বলেন, হাসপাতালে যে হারে রোগী ভর্তি বাড়ছে তা বিস্ময়কর। এই চিকিৎসকও জানিয়েছে, যারা ভর্তি হচ্ছেন তাদের অধিকাংশই টিকা নেননি।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন