বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, ২০১৬ সালে কাজের সঙ্গে যুক্ত অসুস্থতা ও আহত হওয়ার ঘটনায় মারা গেছেন প্রায় ১৯ লাখ মানুষ। এই প্রতিবেদন একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বলেছেন, চাকরি করে আক্ষরিক অর্থেই এত মানুষ মারা যাচ্ছেন—তা দেখাটা পীড়াদায়ক।

এর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি গবেষণায় বলা হয়েছিল, দীর্ঘ কর্মঘণ্টার কারণে স্ট্রোক (মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ) ও হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে বছরে আনুমানিক ৭ লাখ ৪৫ হাজার পেশাজীবী মারা যান। ওই গবেষণাকে ভিত্তি ধরে বৃহত্তর পরিসরে ও আইএলওর সঙ্গে যৌথভাবে নতুন গবেষণাটি করা হয়েছে।

পেশা বা কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এমন ঝুঁকিপূর্ণ ১৯টি বিষয়কে গবেষণায় বিবেচনা করা হয়েছে। এ বিষয়গুলোর মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করা বা বেশি কর্মঘণ্টা ছাড়াও কর্মক্ষেত্রে বায়ু দূষণ, শ্বাসকষ্ট ও ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদানের উপস্থিতি এবং শোরগোল উল্লেখযোগ্য।

গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, বিশ্বে কর্মজীবীদের এমন মৃত্যুর ঘটনা অসামঞ্জস্যহীনভাবে বেশি ঘটছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে। নারীদের তুলনায় বেশি মারা যাচ্ছেন পুরুষেরা। ৫৪ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে এমন মৃত্যুর হার বেশি।

এর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি গবেষণায় বলা হয়েছিল, দীর্ঘ কর্মঘণ্টার কারণে স্ট্রোক (মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ) ও হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে বছরে আনুমানিক ৭ লাখ ৪৫ হাজার পেশাজীবী মারা যান। ওই গবেষণাকে ভিত্তি ধরে বৃহত্তর পরিসরে ও আইএলওর সঙ্গে যৌথভাবে নতুন গবেষণাটি করা হয়েছে।

চাকরি করে আক্ষরিক অর্থেই এত মানুষ মারা যাচ্ছেন-তা দেখাটা পীড়াদায়ক
—তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক

নতুন এ গবেষণায় পেশাজীবীদের মৃত্যুর অন্যতম বড় কারণ হিসেবে কর্মক্ষেত্রের পরিবেশকে দায়ী করা হয়েছে। নানা ধরনের গ্যাস, ধোঁয়া, শিল্পকারখানা থেকে নিঃসৃত ক্ষুদ্র কণার উপস্থিতিজনিত কারণে সৃষ্ট বায়ুদূষণ কর্মক্ষেত্রে প্রাণঘাতী পরিবেশ তৈরি করে।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৬ সালে কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কারণে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সাড়ে ৪ লাখ মানুষের মৃত্যুর পেছনে দায়ী ছিল কর্মক্ষেত্রের বায়ুদূষণ। কাজের সময় আহত হয়ে পরে মারা যান ৩ লাখ ৬০ হাজার জন।

প্রতিবেদনে একটি ইতিবাচক দিকও উঠে এসেছে। যেমন কর্মক্ষেত্রে বায়ুদূষণজনিত কারণে মৃত্যুর হার ২০০০ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে ১৪ শতাংশ কমে গেছে। যার অর্থ হলো, এই সময়ে কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটে থাকতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কর্মসংশ্লিষ্ট অসুস্থতায় মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন