জেন সাকি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি আবারও বলছি, প্রেসিডেন্টের যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই।’

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি আরও বলেন, কিয়েভে আবারও দূতাবাস সচল করার ব্যাপারে আশাবাদী যুক্তরাষ্ট্র। তবে এর জন্য তিনি কোনো সময়সীমা উল্লেখ করেননি। এ ব্যাপারে জেন সাকি বলেন, ‘নিশ্চিতভাবেই এটি আমাদের লক্ষ্য। অবশ্যই ঘটনাস্থলে কূটনৈতিক উপস্থিতি জরুরি।’

হোয়াইট হাউস বলেছে, বাইডেনের পরিবর্তে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ইউক্রেনে পাঠাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন কিংবা প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনকে পাঠানো হতে পারে।

চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে সম্প্রতি কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই কিয়েভ সফর করেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। সেখানে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পর দুই নেতা কিয়েভের রাস্তায় হেঁটে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন