কোরবানির মাঠে প্রবাসীদের সরব উপস্থিতি
আমেরিকায় ১১ আগস্ট উদ্যাপিত হয়েছে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদুল আজহা উপলক্ষে ওয়াশিংটন ডিসি, ভার্জিনিয়া ও মেরিল্যান্ড রাজ্যের বিভিন্ন কোরবানির মাঠে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সরব উপস্থিতি ছিল বেশ লক্ষণীয়। ১১ আগস্ট সকাল থেকেই প্রবাসীরা নিকটস্থ মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় শেষে ছুটে যান কোরবানির নির্দিষ্ট মাঠে।
আমেরিকার মেরিল্যান্ড রাজ্যের ক্লিনটন শহরের পিসকাটাওয়ে মিলার ফার্মে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দিনভর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল থেকেই স্বজন ও বন্ধুদের নিয়ে ফার্মে হাজির হন ভার্জিনিয়া ও মেরিল্যান্ডপ্রবাসী রেদওয়ান চৌধুরী, হেনা চৌধুরী, জসিম উদ্দীন, শিখা আহমেদ, আকতার হোসেন, ফাহমিদা হোসেন, বোরহান আহমেদ, আসমা আহমেদ, মজনু মিয়া ও মাসুমা মেরিন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শিব্বীর আহমেদ, কবির পাটোয়ারী, পারভিন পাটোয়ারী, সাদেক খান, শিল্পী সাদেক, সাঈদ আবেদীন, নাছের চৌধুরী, বংশীবাদক মাজেদ আহমেদ, রাকিবুল ইসলাম বাপ্পীসহ আরও অনেকে।
একদিকে পশু কোরবানির ব্যস্ততা, অন্যদিকে নারীরা ব্যস্ত হয়ে পড়েন নানা রকমের খাবার রান্নায়। সেমাই, বুট মুড়ি, পেঁয়াজি, শিঙারা, তরমুজ, চা কফি ইত্যাদি নানা খাবারে সবাইকে আপ্যায়ন করা হয়। তাঁবু টাঙিয়ে শিশুরা খেলাধুলায় ব্যস্ত হয়ে পড়ে। খাবারের ফাঁকে ফাঁকে বাঁশিতে সুর তোলেন মোহাম্মদ মাজেদ।
পছন্দের পশু কোরবানির পর নারী-পুরুষ সবাই মিলে কোরবানির মাংস কাটতে বসেন। পাশাপাশি চলে কোরবানির মাংস রান্না। সঙ্গে পোলাও, বিরিয়ানি ও খিচুড়ির আয়োজন। দুপুর গড়িয়ে বিকেলে কোরবানির মাংস রান্না শেষে মাঠেই পরিবেশন করা হয়।
দুপুরের খাবার শেষে সবার মধ্যে চা, পান-সুপারি পরিবেশন করা হয়। বিকেলে পরিবেশন করা হয় নাশতা। সব শেষে সবার মাঝে কোরবানির মাংস বণ্টন করে ঈদের আনন্দ আর দিনভর ক্লান্তদিন শেষে সবাই পবিত্র ঈদুল আজহার ত্যাগের আনন্দ নিয়ে ঘরে ফিরে যান।