বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সমাবেশের আয়োজকদের মধ্যে ট্রাম্পের চিহ্নিত সমর্থকেরা আছেন। তবে তাঁরা এই সমাবেশে সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে যুক্ত করেননি। সমাবেশে ট্রাম্পের সমর্থনে স্লোগান লেখা কোনো হ্যাট বা পরিধেয় না পরে আসার জন্য লোকজনকে বলা হয়েছে। শনিবার ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’সহ কিছুসংখ্যক উদারনৈতিক সংগঠন আয়োজন করেছে পাল্টাসমাবেশের। এ নিয়ে একধরনের উত্তেজনা বিরাজ করছে।

৬ জানুয়ারির সহিংসতার ঘটনার কথা মাথায় রেখে শনিবারের সমাবেশ ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আবার বসানো হয়েছে কাঁটাতারের বেষ্টনী। সতর্কতার অংশ হিসেবে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হচ্ছে। সমাবেশকে কেন্দ্র করে ট্রাম্প-সমর্থক শ্বেতাঙ্গবাদী প্রাউড বয়েজ ও কিউ অ্যাননের মতো গোষ্ঠী আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারা অনলাইনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে জোর প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে।

৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিল ভবনে হামলার ঘটনায় করা ফেডারেল মামলার ছয় শতাধিক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে তাঁদের বিচার চলছে। এই দাঙ্গাবাজদের বিচারের নামে তাঁদের মতপ্রকাশে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করছে উগ্রবাদীরা।

৬ জানুয়ারির হামলার ঘটনার অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সমর্থনে এই সমাবেশে রক্ষণশীল রিপাবলিকান পার্টির আইনপ্রণেতাদের উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে কোনো আইনপ্রণেতা এ সমাবেশে উপস্থিত হবেন বলে নিশ্চিত করেননি।

মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি ইতিমধ্যে ওয়াশিংটন মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রধান টম মাঙ্গার, সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার, প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকান দলনেতা ক্যাভিন ম্যাকার্থি ও সিনেটে রিপাবলিকান দলনেতা মিচ ম্যাককনেলকে নিয়ে একটি বৈঠক করেছেন।

৮ সেপ্টেম্বর স্পিকার পেলোসি এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন রাজধানীর সার্বিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষার ব্যাপারে সরকার সজাগ ও সতর্ক রয়েছে বলে জানান।

শনিবারের সমাবেশ ঘিরে সহিংস ঘটনা ঘটতে পারে বিবেচনায় নিয়ে, তা মোকাবিলায় গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে এফবিআইসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সজাগ ও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

রিপাবলিকান দলের সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বলেছেন, ১৮ সেপ্টেম্বরের সমাবেশ ঘিরে সহিংসতার ব্যাপারে পুলিশ যেন কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে। সীমা অতিক্রমকারীদের তারা যেন শক্ত হাতে দমন করে।

ট্রাম্প-সমর্থকদের সমাবেশে সহিংসতা হতে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছে ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি। বিভাগের এক ব্রিফিংয়ে বলা হয়েছে, অনলাইনসহ নানা পর্যায়ে গোয়েন্দা পর্যবেক্ষণের আলোকে ধারণা করা হচ্ছে যে শনিবারের সমাবেশকে কেন্দ্র করে উগ্রপন্থীরা সহিংসতায় লিপ্ত হতে পারে। এ ব্যাপারে সতর্ক থাকার জন্য জনগণকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন