বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হোয়াইট হাউসের ওই কর্মকর্তা বলেন, রাশিয়া বলছে, ইউক্রেনে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা মোতায়েনের আশঙ্কা রয়েছে। একে হুমকি মনে করছে রাশিয়া, তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই ধরনের কোনো ভাবনা নেই। তাই রাশিয়া চাইলে পারস্পরিক প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে এই বিষয়ে এক সমঝোতার সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, ‘মস্কো আরেকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চাইছে। সেটি হলো, ইউরোপে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা। ১৯৮৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র আর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য পাল্লার পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে ইন্টারমিডিয়েট-রেঞ্জ নিউক্লিয়ার ফোর্সেস (আইএনএফ) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তির আলোকে আলোচনা করতে চাইছে তারা। আমরা এই বিষয়ে আলোচনার জন্য প্রস্তুত।’

এ ছাড়া সামরিক মহড়ার আকার ও এর সুযোগ নিয়েও আলোচনা করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত বলে জানিয়েছে ওই সূত্র। তবে হোয়াইট হাউসের ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘রাশিয়া এই বিষয়গুলো নিয়ে জোরালো ও ইতিবাচক আলোচনা করতে প্রস্তুত কি না, জেনেভায় আলোচনা শুরু আগপর্যন্ত আমরা তা জানতে পারব না।’ তিনি বলেন, ‘আমরা এই বৈঠকে আশাবাদ নিয়ে যাচ্ছি না, বাস্তবতা সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছি।’

আইএনএফ চুক্তি নিয়ে সংকট দেখা দেয় ২০১৯ সালে। ওই বছর যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তি স্থগিত করেন। তাঁর অভিযোগ, রাশিয়া এই চুক্তি লঙ্ঘন করছে। তবে এর সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেছিলেন, ইউরোপে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধের ব্যবস্থা স্থাপন করে যুক্তরাষ্ট্র ওই চুক্তি লঙ্ঘন করছে। কারণ, চুক্তি অনুসারে এমন প্রতিরোধব্যবস্থা স্থাপন করা যাবে শুধু হামলা চালানোর সময়।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন