বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল ফ্রান্সিস সাদা রঙের পোশাক পরে ধর্মোপদেশ দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয়বস্তু ছিল দরিদ্রদের নিয়ে। তিনি বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছিলেন, যিশুখ্রিষ্ট দরিদ্র ঘরে জন্ম নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘ভালোবাসার এ রাতে আমরা একটি মাত্র আতঙ্কের মধ্যে আছি; আর তা হলো ঈশ্বরের ভালোবাসায় কোনো আঘাত করা হচ্ছে কি না, দরিদ্রদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের মধ্য দিয়ে তাঁকে ব্যথিত করছি কি না। যিশু তাদের (দরিদ্র মানুষ) অত্যন্ত ভালোবাসেন।’

গত সপ্তাহে ফ্রান্সিসের বয়স ৮৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। তিনি বলেন, জীবনভর সামাজিক মর্যাদা অর্জন ও সাফল্যের পেছনে না ছুটে অন্য মানুষের সেবা করাটা অনেক বেশি জরুরি। দরিদ্র মানুষকে সেবা করার মধ্য দিয়েই ঈশ্বরকে সম্মান করা যাবে।

শ্রমিকদের প্রতি মর্যাদাপূর্ণ আচরণের তাগিদ দিয়েছেন পোপ ফ্রান্সিস। তিনি বলেন, কর্মজীবী মানুষই প্রথম বেথলেহেমে শিশু যিশুকে দেখতে পেয়েছিলেন।

বিশ্বজুড়ে কর্মস্থলে বিভিন্ন দুর্ঘটনায় অনেক প্রাণহানি হচ্ছে উল্লেখ করে এ ধর্মগুরু আরও বলেন, ‘যিশুর জন্মদিনে আবারও মনে করিয়ে দিতে চাই, কর্মস্থলে আর যেন মানুষের মৃত্যু না হয়। আর তা নিশ্চিতের জন্য নিজেরাই নিজেদের কাছে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকতে হবে।’
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) হিসাব অনুযায়ী, কাজ করতে গিয়ে প্রতিবছর ১০ লাখের বেশি শ্রমিক মারা যান।
আজ শনিবার বড়দিন উদ্‌যাপন উপলক্ষে সেন্ট পিটার্স বাসিলিকার ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে ‘উর্বি অ্যাত অর্বি’(শহর ও বিশ্বের প্রতি) ভাষণ দেবেন পোপ ফ্রান্সিস।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন