default-image

যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় টেলিভিশন উপস্থাপক ল্যারি কিং (৮৭) আর নেই। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে লস অ্যাঞ্জেলেসের সিডারস-সিনাই মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। শনিবার তাঁর সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন অফিশিয়াল অ্যাকাউন্ট থেকে মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করা হয়। ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ৬৩ বছর ধরে রেডিও, টেলিভিশন, ডিজিটাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ল্যারি হাজারো সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার। ল্যারির অনন্য অর্জন তাঁকে সম্প্রচারমাধ্যমের দিকপাল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

দীর্ঘ ছয় দশকের বেশি সময়ের পেশাজীবনে নানা স্বীকৃতি পেয়েছেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে পিবডি ও অ্যামি অ্যাওয়ার্ডও।

বিজ্ঞাপন

সত্তরের দশকে ল্যারি কিং বাণিজ্যিক নেটওয়ার্ক ‘মিউচুয়াল ব্রডকাস্টিং সিস্টেম’-এ রেডিও অনুষ্ঠান ‘দ্য ল্যারি কিং শো’ করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। এরপর ১৯৮৫ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে সিএনএনে ‘ল্যারি কিং লাইভ অন সিএনএন’ নামের অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন। রাজনীতিবিদ, ক্রীড়াবিদ, বিনোদনজগতের তারকা, ষড়যন্ত্রতত্ত্বের প্রবক্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্টজনের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তিনি।

ল্যারি কিং ‘ইউএসএ টুডে’ পত্রিকায় ২০ বছরের বেশি সময় ধরে একটি কলাম লিখে গেছেন।

দীর্ঘ পেশাজীবনে এই গুণী উপস্থাপক ও সাক্ষাৎকারগ্রহীতা যেসব জটিল শারীরিক সমস্যা মোকাবিলা করেছেন তার কয়েকটি হলো ডায়াবেটিস, প্রদাহ, হার্ট অ্যাটাক ও ফুসফুসের ক্যানসার। গত বছর কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে তাঁর দুই ছেলে মারা যান।

এক ছেলে মারা যান হার্ট অ্যাটাকে এবং অন্য ছেলে ফুসফুসের ক্যানসারে।
হৃদরোগে আক্রান্ত স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য ল্যারি ১৯৮৮ সালে কার্ডিয়াক ফাউন্ডেশন নামের একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন