টেসলার পাশাপাশি মহাকাশযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মাস্ক। চলতি বছরে বিশ্বের শীর্ষ ধনীর খেতাবটিও যায় তাঁর দখলে। বাজারে টেসলার কাটতির কারণে এ বছরে লাফিয়ে বেড়েছে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম। এর জের ধরেই সাবেক শীর্ষ ধনী জেফ বেজোসকে পেছনে ফেলেন মাস্ক। তাঁর প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্সও এ বছর সবার নজর কেড়েছে। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শুধু পর্যটকদের নিয়ে মহাকাশে যান পাঠায় স্পেস এক্স।

এডওয়ার্ড ফেলসেনথাল বলেন, ‘মাস্ক ২০২১ সালে শুধু বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেননি, বরং আমাদের সমাজে যে বড় পরিবর্তন এসেছে, তার সবচেয়ে উৎকৃষ্ট উদাহরণও।’

পারসন অব দ্য ইয়ার ঘোষণার পাশাপাশি এ বছর পপ গায়িকা অলিভিয়া রদ্রিগোকে ‘এন্টারটেইনার অব দ্য ইয়ার’, মার্কিন জিমন্যাস্ট সিমন বিলেসকে ‘অ্যাথলেট অব দ্য ইয়ার’ এবং টিকা তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীদের ‘হিরোজ অব দ্য ইয়ার’ ঘোষণা করেছে টাইম।

এর আগে ২০২০ সালে পারসন অফ দ্য ইয়ার হিসেবে যৌথভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে বেছে নেয় সাময়িকীটি।

‘ম্যান অব দ্য ইয়ার’ হিসেবে ১৯২৭ সালে টাইম এ পুরস্কার শুরু করে, যা এখন ঐতিহ্যে রূপ নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট বছরে খারাপের বিরুদ্ধে সর্বোৎকৃষ্ট কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এ সম্মানে ভূষিত করে টাইম।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন