বিজ্ঞাপন

রিজেনারন বলেছে, তারা চলতি মাসের শেষ নাগাদ প্রায় ৮০ হাজার করোনা রোগীর শরীরে প্রয়োগের মতো ওষুধের ডোজ উৎপাদন করতে পারবে। জানুয়ারির শেষে গিয়ে এই উৎপাদন বেড়ে দাঁড়াবে ৩ লাখের মতো।

গত অক্টোবরে করোনা শনাক্তের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চিকিৎসায় অন্যান্য ওষুধের পাশাপাশি রিজেনারনের তৈরি দুই অ্যান্টিবডির ককটেল ওষুধটি ব্যবহার করা হয়েছিল। ট্রাম্প ছাড়াও আরও কিছু রোগীর শরীরে এটি প্রয়োগ করা হয়। সুস্থ হয়ে ট্রাম্প ওই অ্যান্টিবডি থেরাপির প্রশংসা করেন। তবে এফডিএ গুরুতর অসুস্থ কিংবা অক্সিজেনের প্রয়োজন হচ্ছে, এমন করোনা রোগীদের ক্ষেত্রে ওষুধটি ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি।

করোনা চিকিৎসায় ওষুধ উদ্ভাবনের চেষ্টার পাশাপাশি নিরাপদ ও কার্যকর টিকা উদ্ভাবনের কাজও চলছে দ্রুত গতিতে। এরই মধ্যে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রাজেনেকার সম্ভাব্য টিকা, যুক্তরাষ্ট্রের মডার্না ও ফাইজারের টিকাসহ বেশ কয়েকটি সম্ভাব্য টিকার কার্যকারিতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ফাইজার ও মডার্নার দুটি টিকাই প্রায় ৯৫ শতাংশ কার্যকর বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠান দুটি।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন