বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম নৌবহর জানিয়েছে, আর্লেগ বার্গ নামের ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী ওই যুদ্ধজাহাজটি সাধারণ চলাচল বা রুটিন ট্রানজিটের অংশ হিসেবে তাইওয়ান প্রণালি অতিক্রম করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে স্বাধীন এবং মুক্ত রাখতে যুক্তরাষ্ট্র বদ্ধপরিকর। আর এই সমুদ্রযাত্রাকে চলতি বছরের একাদশতম মহড়া হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
১৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত বাইডেন-সির মধ্যে ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে তাইওয়ানের ভবিষ্যৎ নিয়ে বেইজিং ওয়শিংটনকে কঠোর বার্তা দিয়েছিল। ওই সময় চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে তাইওয়ানকে স্বাধীনতার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করা হয়। এমনকি বাইডেনকে আগুন নিয়ে না খেলতে বলা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজগুলো মাঝেমধ্যেই তাইওয়ান প্রণালিতে মহড়া চালায়। এসব ঘটনায় বেইজিংও যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর বার্তা দেয়। তাইওয়ান ও এর পার্শ্ববর্তী জলসীমাকে নিজেদের অঞ্চল বলে দাবি করে বেইজিং।

যুক্তরাষ্ট্রসহ আরও অনেক দেশ এই নৌপথকে আন্তর্জাতিক মুক্ত জলসীমা হিসেবে মনে করে। তাইওয়ানের ওপর চীনের সামরিক আগ্রাসন বেড়ে যাওয়া এবং বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার পরে সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও তাঁর বন্ধুপ্রতিম দেশগুলো এ পথে তাদের তৎপরতা বাড়িয়েছে। সাম্প্রতিক বছরে যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়ার যুদ্ধজাহাজ তাইওয়ান প্রণালি ব্যবহার করে যাতায়াত করায় চীন প্রতিবাদ জানিয়েছে।

সিঙ্গাপুরের রাজা রত্ন স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের রিসার্চ ফেলো কলিন কোহো তাইওয়ান প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত ট্রানজিট নৌযানের তথ্য রাখেন। সে তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে এই পথে যুক্তরাষ্ট্রের ৯টি জাহাজ চলাচল করেছে। ২০২০ সালে এই সংখ্যা বেড়ে ১৫টিতে দাঁড়ায়। চলতি এ বছর এখন পর্যন্ত এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১টিতে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন