বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, লটারির নাম ‘২০ লাখ রিচার’। এক্সন কোম্পানির একটি গ্যাস স্টেশন থেকে তিনি মোট দুটি টিকিট কিনেছিলেন। প্রথম টিকিট তাঁকে খুশি করতে পারেনি। কারণ, প্রথমটিতে তিনি ১০০ ডলার জেতেন। কিন্তু দ্বিতীয় টিকিটে হয় বাজিমাত। সেখানে ২০ লাখ ডলার জেতেন তিনি।

ভাগ্যবান ওই ব্যক্তি মহামারির প্রকোপের মধ্য লটারি জয়ের খবরটি জানতে পারেন। কিন্তু এত দিন বিষয়টি গোপন রাখেন। অপেক্ষা করছিলেন লটারির অর্থ দাবি করার সময়সীমা পার হওয়ার আগপর্যন্ত। নির্দিষ্ট তারিখ পার হওয়ার মাত্র কয়েক দিন আগে তিনি লটারি অফিসে যোগাযোগ করে নিয়ে আসেন বিপুল পরিমাণ এই অর্থ।

ম্যারিল্যান্ডের লটারি কর্মকর্তাদের কাছে লটারির অর্থ দাবি করার সময় তিনি বলেন, ‘আমি কিছুটা বিচলিত ছিলাম। টিকিটের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় যত ঘনিয়ে আসছিল, ততই আমার সন্দেহ দৃঢ় হচ্ছিল, এটা সত্য তো!’

প্রথমবার লটারি জেতার পর ওই ব্যক্তি লটারি কর্মকর্তাদের বলেন, পরিবারের অবকাশযাপন ও নিজের অবসরের সময় ব্যবহারের জন্য এ অর্থ ব্যবহার করবেন তিনি। এখন তিনি অবসর নিয়েছেন। এখন লটারির অর্থ দিয়ে কী করবেন জানতে চাইলে এবার পরিবারের অবকাশযাপনের সঙ্গে বাড়ি সংস্কারের কথাও জানান।

লটারি প্রসঙ্গে ওই ব্যক্তি বলেন, ‘আপনাকে বাস্তববাদী হতে হবে। যখন আপনি খেলবেন, তখন শুধু বড় দান মারার জন্য খেলছেন, এটা যেন কখনো না হয়। খেলার সময় খেলাটা উপভোগ করতে হবে, হার অথবা জিত কোনো বিষয় নয়। যতক্ষণ খেলবেন ততক্ষণ উপভোগ করতে পারলেই আপনার জেতা হয়ে যাবে।’

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন