বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হকুল গত শনিবার বলেন, সবাইকে টিকার আওতায় নিয়ে আসার অংশ হিসেবে রাজ্যজুড়ে ৪০টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। টিকাদান জোরদার করাকে গুরুতর অসুস্থ হওয়া ও মৃত্যু থেকে মানুষকে রক্ষা করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন মহামারি বিশেষজ্ঞরা।

এক বিবৃতিতে গভর্নর বলেন, ‘আমরা শীত মৌসুমে করোনার নতুন ঢেউয়ের জন্য প্রস্তুত, কারণ আমাদের হাতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম রয়েছে। মাস্ক পরা, টিকার বুস্টার ডোজ নেওয়া করোনার কারণে গুরুতর অসুস্থতার হাত থেকে বাঁচাতে পারে।’
নিউইয়র্কে করোনা সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি টম্পকিনস কাউন্টিতে। নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, ১৪ দিন আগের তুলনায় এই কাউন্টিতে সংক্রমণ ৬৪০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বর্তমানে এ কাউন্টির ১ লাখ মানুষের মধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ২২৪ জন।

এ কাউন্টিতে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর বসবাস। গত বুধবার স্থানীয় ইথাকা কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, ২৪ ঘণ্টায় সেখানে উল্লেখযোগ্য হারে সংক্রমণ বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ক্যাম্পাসে অপরিকল্পিতভাবে জমায়েত হতে শিক্ষার্থীদের জোরালোভাবে নিরুৎসাহিত করছে তারা।

স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে মঙ্গলবার গ্র্যাজুয়েটদের একটি অনুষ্ঠান বাতিল করেছে কর্নেল ইউনিভার্সিটি। বেশ কিছু শিক্ষার্থীর নমুনা সংগ্রহ করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনা পরীক্ষাগারে টেস্টে তাঁদের অনেকের শরীরে অমিক্রন শনাক্ত হওয়ায় প্রমাণ পাওয়া গেছে।

সংক্রমণের লাগাম টানতে রাজ্যজুড়ে মাস্ক পরা গত সপ্তাহে বাধ্যতামূলক করেন গভর্নর ক্যাথি হকুল। তিনি বলেন, ঘরোয়া গণজমায়েতেও মাস্ক পরতে হবে, তবে এসব অনুষ্ঠানে যেতে হলে করোনার পূর্ণ ডোজ টিকা নেওয়ার কোনো প্রমাণ লাগবে না।
অমিক্রন ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে করণীয় সম্পর্কে আগামী মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। দেশটির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে করোনার নতুন ধরন ছড়িয়ে পড়ায় দেশটির স্বাস্থ্য খাত নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া অমিক্রনের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় অর্থনীতি নিয়েও শঙ্কায় রয়েছেন অনেকে।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি গত শনিবার এক টুইট বার্তায় এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, জনগণের সহযোগিতার জন্য যেসব ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, সেসব বিষয়ে বাইডেন প্রশাসন নতুন পদক্ষেপ গ্রহণের কথা ঘোষণা করবে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন