বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লিয়াম ব্রুকলিনে বেশ কয়েক বছর ধরে বসবাস করছেন। ফেসশিল্ডের মধ্যে দিয়েও দেখা যায় তাঁর চোখের জল। মা ও নানির সঙ্গে অনেক জায়গায় বেড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে লিয়ামের। তাঁরা একসঙ্গে সময়টা কাটাতে চান।

লিয়ামের মা অ্যালিসন হেনরি বলেন, ‘প্রতিদিন আমরা খবর শুনতাম। অপেক্ষা করতাম কবে যুক্তরাষ্ট্র সীমান্ত খুলবে। গত মাসে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর তাঁরা টিকিট কাটেন।’

জেএফকে বিমানবন্দরের টার্মিনাল ৭–এ ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের প্রথম যাত্রীদের লাল, সাদা, নীল বেলুন ও হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানানো হয়। তাঁদের হলুদ ট্যাক্সির মতো আকারের বিস্কুট, বড় আপেল ও স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দেওয়া হয়।

অপেক্ষায় ছিলেন জিল চেম্বারস এক নারী। তিনি ৭৩০ দিন পর তাঁর ভাগনিদের সঙ্গে দেখা করবেন। একসঙ্গে নৈশভোজে অংশ নেবেন। জিল চেম্বারসের বোন লুইস এরেবারা সতর্কতা জারি করে বলেন, ‘আমার কান্না আসছে। করোনাভাইরাসের কারণে তাঁদের সঙ্গে আমার দেখা হয়নি। জানতাম না কবে দেখা হবে।’

ম্যাক্সের সঙ্গে দীর্ঘদিন দেখা হয়নি তাঁর বন্ধু ও পরিবারের। ম্যাক্স বলেন, ‘জুমে বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলতাম। তবে তাতে মন ভরত না।’

নিউইয়র্কে আসার পর আনন্দ প্রকাশ করলেন ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সিন ডয়েল। তিনি বলেন, ভ্রমণের অভিজ্ঞতা খুব আনন্দদায়ক। এত দিন বন্ধ থাকার পর এই ফ্লাইট চালুর ঘটনাকে মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন