default-image

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে করোনার সংক্রমণ তাৎপর্যপূর্ণভাবে বেড়ে গেছে। সিটির কর্মকর্তাদের বরাতে মঙ্গলবার ‘দ্য নিউইয়র্ক টাইমস’ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

নিউইয়র্ক সিটির কর্মকর্তারা গতকাল জানান, নগরজুড়ে করোনা শনাক্তের দৈনিক হার তাৎপর্যপূর্ণভাবে বেড়েছে। সংক্রমণ বৃদ্ধির ঘটনায় নিউইয়র্ক সিটি কর্তৃপক্ষ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

সিটিতে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়া এলাকার মধ্যে ব্রুকলিন ও কুইন্স রয়েছে। এই দুটি এলাকা বাঙালি অধ্যুষিত হিসেবে পরিচিত।

এক সংবাদ সম্মেলনে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র বিল ডি ব্লাজিও জানান, নগরে করোনা শনাক্তের দৈনিক হার বেড়ে ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ হয়েছে। গত জুন মাসের পর থেকে এখন পর্যন্ত এটাই সংক্রমণের সর্বোচ্চ দৈনিক হার।

বিজ্ঞাপন
default-image

গত সোমবার দৈনিক সংক্রমণের হার ছিল ১ দশমিক ৯৩ শতাংশ। কয়েক সপ্তাহ ধরে অধিকাংশ দিন সংক্রমণের দৈনিক হার ১ থেকে ২ শতাংশের মধ্যে ছিল।

নিউইয়র্ক সিটিতে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধির ঘটনায় মেয়র বিল ডি ব্লাজিও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

নিউইয়র্ক সিটিতে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রবণতা এমন সময়ে দেখা গেল, যখন নগরে স্কুল পুরোপুরি খুলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এ ছাড়া চলতি সপ্তাহে নগরে ইনডোর ডাইনিং খোলার কথা রয়েছে।

সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্ট এলাকায় নতুন করে কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে নিউইয়র্ক সিটি কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞাপন

মেয়র ব্লাজিও বলেছেন, নতুন বিধির আওতায় যাঁরা মাস্ক পরবেন না, তাঁদের প্রত্যেককে জরিমানা করার পথে হাঁটছে সিটি কর্তৃপক্ষ।

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে নগরে নতুন বিধি কার্যকরের পদক্ষেপে পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থা সহায়তা করবে। এ প্রসঙ্গে মেয়র ব্লাজিও বলেন, কার্যত প্রতিটি সংস্থা, যাদের লোকবল আছে, তারা এই কাজে সহায়তা করবে।

সিটি মেয়র জানান, নন-পাবলিক স্কুল ও শিশুযত্ন কেন্দ্রগুলো যথাযথ সুরক্ষাব্যবস্থা না মানলে তা বন্ধ করে দেওয়া হবে।

নিউইয়র্ক সিটির স্বাস্থ্য কমিশনার ডেভ চোকশি জানান, নগরের ৯টি পোস্টাল এলাকায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ বৃদ্ধি লক্ষ করা যাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে ডেভ চোকশি বলেন, ‘ব্রুকলিন ও কুইন্সের বিভিন্ন পোস্টাল এলাকায় কোভিড-১৯-এর সংক্রমণের উদ্বেগজনক বৃদ্ধিতে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’

করোনায় বিশ্বে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নিউইয়র্ক সিটি করোনায় অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা।

মন্তব্য পড়ুন 0