বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জো বাইডেনের কাছে নির্বাচনে হেরে গত ২০ জানুয়ারি ক্ষমতা ছাড়েন ট্রাম্প। ক্ষমতা ছাড়ার সময় ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিলেন, তিনি আবার ফিরে আসবেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্টরা ক্ষমতা ছাড়ার পর অনেকটাই নিবৃত্তে জীবন যাপন করেন। কিন্তু ট্রাম্প এর ব্যতিক্রম। তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন। প্রেসিডেন্ট বাইডেনের বিরুদ্ধে তিনি বক্তৃতা-বিবৃতি দিয়ে চলছেন।

ট্রাম্প নিজের সমর্থকদের উদ্দেশ করে বলে আসছেন, তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পুনরায় দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলে সবাই খুশি হবেন।

১১ সেপ্টেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও বারাক ওবামা বিশ্ববাণিজ্য কেন্দ্রের ধসে পড়া এলাকায় উপস্থিত হয়ে নিহত ব্যক্তিদের স্মরণ করেন। অপর সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ পেনসিলভানিয়ায় একটি পৃথক স্মরণসভায় যোগ দেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ম্যানহাটনে তাঁর ট্রাম্প টাওয়ারের কাছে পুলিশের একটি স্মরণসভায় যোগ দেন। তিনি সেখানে দাঁড়িয়ে প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে অযোগ্য ও অদক্ষ বলে আবার বিষোদ্‌গার করেন। তিনি বলেন, আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার নিয়ে চরম অদক্ষতার পরিচয় দেওয়া হয়েছে।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মুখপাত্র লিজ হ্যারিংটন জানিয়েছেন, ৯/১১–এর মূল স্মরণসভায় ট্রাম্পের উপস্থিতির সুযোগ ছিল। কিন্তু তিনি তা না করে ভিন্ন স্মরণসভায় যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

১১ সেপ্টেম্বর দিনের প্রথম দিকে ট্রাম্প রাজধানীর ওয়াশিংটন মলে রক্ষণশীল খ্রিষ্টানদের এক প্রার্থনাসভায় যোগ দেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘আসুন, সবাই প্রার্থনা করি ৯/১১–তে নিহত লোকজনের জন্য।’ দিনের শেষ দিকে ট্রাম্প ফ্লোরিডায় গিয়ে একটি বক্সিং প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প তাঁর প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি এখনো ঝুলিয়ে রেখেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ট্রাম্প নিশ্চিতভাবেই আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হবেন। যদিও রিপাবলিকান পার্টির সর্বশেষ জরিপে দেখা গেছে, দলের প্রায় অর্ধেক লোকজন মনে করেন, ট্রাম্প নেতা হিসেবেই ভূমিকা রাখুক।

সিএনএন পরিচালিত জরিপে দেখা গেছে, রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়ন যুদ্ধে ট্রাম্প সহজেই জয়ী হবেন মনে করা হচ্ছে। তবে রিপাবলিকান পার্টি অন্য প্রার্থী নিয়ে ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়ী হতে পারবে বলে অধিকাংশ লোকজন মনে করেন।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন