default-image

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর জো বাইডেন প্রথমবারের মতো রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। সিএনএন অনলাইনের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

গতকাল মঙ্গলবার বাইডেন ও পুতিনের মধ্যে এই ফোনালাপ হয়। দুই নেতার মধ্যে ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে হোয়াইট হাউস।

মস্কোর অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে পুতিনের সঙ্গে বাইডেনের এই ফোনালাপ হয় বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। ২০ জানুয়ারি বাইডেন শপথ নেন। বাইডেন ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপের বিষয়ে অনুরোধ আসে।

হোয়াইট হাউসের ভাষ্য অনুযায়ী, পুতিনের সঙ্গে প্রথম ফোনালাপে বিভিন্ন ইস্যু তোলেন বাইডেন। এসব ইস্যুর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপ, যুক্তরাষ্ট্রে সাইবার হামলা, রাশিয়ায় বিরোধী নেতা অ্যালেক্সি নাভালনির ওপর বিষ প্রয়োগ, ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন, রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু অস্ত্র চুক্তি ইত্যাদি।

বিজ্ঞাপন

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপে বাইডেন এই বিষয়টি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্র তার জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করবে।

রাশিয়ার পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, নির্বাচনে জয়ের জন্য নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পুতিন। দুই নেতার মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে ক্রেমলিন।

সামনে অগ্রসর হতে উভয় পক্ষ যোগাযোগ অব্যাহত রাখার বিষয়ে সম্মত হয়েছে বলে বিবিসি জানায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ের পর বাইডেনকে অভিনন্দন জানাতে বিলম্ব করা বড় মাপের বিশ্বনেতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন পুতিন।

৩ নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রায় দেড় মাস পর গত ডিসেম্বরের মাঝামাঝি বাইডেনকে অভিনন্দন জানান পুতিন। ইলেকটোরাল কলেজ ভোটে বাইডেনের জয় নিশ্চিত হওয়ার পরই কেবল তাঁকে অভিনন্দন জানান পুতিন। বাইডেনকে পাঠানো অভিনন্দন বার্তায় পুতিন বলেছিলেন, তাঁর পক্ষ থেকে তিনি সহযোগিতা ও যোগাযোগের জন্য প্রস্তুত।

বাইডেনকে অভিনন্দন জানানোর আগে রাশিয়ার একাধিক কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন। তাঁরা বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান নির্বাচনপদ্ধতি জনগণের ইচ্ছার প্রতিনিধিত্ব করে না।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন