default-image

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছিল। ২০২০ সালের নভেম্বরের মাঝামাঝি এসে বিশ্বে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৫ কোটি ৫০ লাখ ছাড়াল।

পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের সবশেষ তথ্য বলছে, আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ বিশ্বে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৫ কোটি ৫৩ লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৬।

ওয়ার্ল্ডোমিটার শুরু থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের করোনাবিষয়ক হালনাগাদ তথ্য দিয়ে আসছে। ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে বিশ্বে করোনায় মোট মারা গেছেন ১৩ লাখ ৩২ হাজার ১৩৩ জন।

বিজ্ঞাপন

ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত বিশ্বে করোনা থেকে সেরে ওঠা মানুষের সংখ্যা ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৯১ হাজার ১১৪ জন।

বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ১৫ লাখ ৩৮ হাজার ৫৭। দেশটিতে করোনায় মারা গেছেন ২ লাখ ৫২ হাজার ৬৫১ জন।

ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় ভারতের অবস্থান দ্বিতীয়। ভারতে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৮৮ লাখ ৭৪ হাজার ১৭২। দেশটিতে করোনায় মারা গেছেন ১ লাখ ৩০ হাজার ৫৫৯ জন।

ব্রাজিল আছে তৃতীয় অবস্থানে। ব্রাজিলে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৫৮ লাখ ৭৬ হাজার ৭৪০ জন। দেশটিতে করোনায় মারা গেছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬৭ জন।

তালিকায় ফ্রান্সের অবস্থান চতুর্থ। রাশিয়া পঞ্চম। স্পেন ষষ্ঠ। যুক্তরাজ্য সপ্তম। আর্জেন্টিনা অষ্টম। ইতালি নবম। কলম্বিয়া দশম। তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ২৪তম।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।

চীনে করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যু হয় চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি। তবে তার ঘোষণা আসে ১১ জানুয়ারি।

চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে। পরে বিভিন্ন দেশে করোনা ছড়িয়ে পড়ে।

করোনার প্রাদুর্ভাবের পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ জানুয়ারি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

২ ফেব্রুয়ারি চীনের বাইরে করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ফিলিপাইনে।

বিজ্ঞাপন

১১ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাভাইরাস থেকে সৃষ্ট রোগের নামকরণ করে ‘কোভিড-১৯ ’।

১১ মার্চ করোনাকে বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

বাংলাদেশ পরিস্থিতি

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সোমবারের তথ্যমতে, দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৪৭২। মোট মারা গেছেন ৬ হাজার ২১৫ জন। দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়েছেন মোট ৩ লাখ ৫১ হাজার ১৪৬ জন। দেশে এখন পর্যন্ত সংক্রমণ বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের তথ্য নিশ্চিত করে সরকার।

বেশ কিছুদিন ধরে সরকার বলে আসছে, আসন্ন শীতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার আশঙ্কা আছে। শীতের আগমনী বার্তার সঙ্গে সঙ্গে সংক্রমণ বৃদ্ধির ইঙ্গিতও দেখা যাচ্ছে। তিন সপ্তাহ ধরে সংক্রমণ শনাক্তের হার ঊর্ধ্বমুখী। কয়েক দিন ধরে শনাক্ত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে।

মন্তব্য পড়ুন 0