default-image

রিপাবলিকানদের একাংশ ঝুঁকছে যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দিকে। সংখ্যায় ছোট একাংশ দৈনিক ইনটেলিজেন্স ব্রিফিং (গোয়েন্দা তথ্যের বিবরণ) জো বাইডেনকে দেওয়ার পক্ষে।
বিবিসির আজ শুক্রবারের খবরে জানা যায়, তাঁদের মধ্যে একজন হলেন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম। তিনি বলেছেন, গোপন এই মেমো নতুন নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে জো বাইডেনের পাওয়া উচিত। তবে কংগ্রেসের বেশির ভাগ রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তাঁরা বাইডেনের বিজয় মেনে নিতে নারাজ।
গত সপ্তাহে জো বাইডেনের বিজয় নিশ্চিত হয়। তবে এখনো কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট গণনা চলছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন। তিনি আইনি পদক্ষেপও নিয়েছেন। তবে ট্রাম্পের দল অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি।
গত বৃহস্পতিবার ডেমোক্র্যাট হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি বলেন, করোনাভাইরাস মহামারি অবহেলা করা অযৌক্তিক সার্কাসের মতো। তিনি ও ডেমোক্র্যাটের জ্যেষ্ঠ নেতারা রিপাবলিকানদের বাস্তবতা মেনে নিতে আহ্বান জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন
default-image

কংগ্রেসে ১০ থেকে ২০ জন রিপাবলিকান হয় বাইডেনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন নয়তো পরিবর্তন মেনে নিয়েছেন।
ডেমোক্র্যাট সিনেটর ক্রিস কুনস সিএনএনকে জানান, কয়েকজন রিপাবলিকান ফোনে তাঁদের পক্ষ থেকে বাইডেনকে অভিনন্দন জানাতে বলেছেন। কারণ তাঁরা প্রকাশ্যে অভিনন্দন জানাতে পারছেন না।
রিপাবলিকান সিনেটর গ্রাহাম বলেছেন, প্রেসিডেন্ট প্রতিদিন যে গোপন তথ্য পান তা বাইডেনের পাওয়া উচিত। এতে সমর্থন দিয়েছেন চাক গ্রেসলি, জন করনিয়ান ও জন থুনে। হাউসের সংখ্যালঘু নেতা কেভিন ম্যাককার্থী বলেছেন, বাইডেন এখন প্রেসিডেন্ট নন। তাঁর অপেক্ষা করা উচিত।
দ্য ডেমোক্র্যাট সিনেট মাইনরিটি লিডার চাক স্কুমার বলেন, তাঁরা ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভয়ে নির্বাচনের ফল নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন।
জো বাইডেন ম্যাজিক ফিগার ২৭০ ছাড়িয়ে গেছেন। এই জয়ে সবচেয়ে বেশি বয়সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার ইতিহাস গড়েছেন বাইডেন। আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পপুলার ভোট পাওয়ার ইতিহাসও সৃষ্টি করেন ৭৭ বছর বয়সী এই ডেমোক্র্যাট।

default-image

নির্বাচনের পর থেকে ট্রাম্প প্রকাশ্যে কোনো বক্তব্য দেননি। তবে তিনি নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে একের পর এক টুইট করেছেন।
ট্রাম্প যখন অভিযোগ করতে ব্যস্ত বাইডেন তখন ব্যস্ত নিজের কাজ গুছিয়ে নিতে। হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে ঘনিষ্ঠ মিত্র রন ক্লেইনকে নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। ১৯৮০ সাল থেকে ক্লেইন সিনেটে বাইডেনের শীর্ষ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফের কাজ প্রেসিডেন্টের দৈনন্দিন কাজের তালিকার সমন্বয় করা।
বিশ্বনেতা ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগও শুরু করেছেন বাইডেন। বৃহস্পতিবার তিনি পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গে কথা বলেছেন। পোপ বাইডেনকে আশীর্বাদ করেন ও অভিনন্দন জানান।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0