বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জেন সাকি আরও বলেন, বৈঠকে সি চিন পিংয়ের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ও অগ্রাধিকারের বিষয়গুলো তুলে ধরবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। চীনকে ঘিরে মার্কিন প্রশাসনের উদ্বেগগুলোও স্পষ্ট করা হবে আলোচনায়।

নানা ইস্যু নিয়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। এর মধ্যে রয়েছে করোনার উৎস থেকে শুরু করে চীনের পারমাণবিক অস্ত্র সমৃদ্ধ করার মতো বিষয়গুলো। সবকিছুর মধ্যে মার্কিন কর্মকর্তারা মনে করছেন, সংঘাত এড়াতে চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগেই ভালো ফল আসবে।

এদিকে আগামী বছর চীনের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে শীতকালীন অলিম্পিক গেমস। এ ছাড়া কমিউনিস্ট পার্টির কংগ্রেসও অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ভাবা হচ্ছে, ওই কংগ্রেসে নিজের তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার বিষয়টি পাকাপোক্ত করবেন সি চিন পিং। এসবের মধ্যে আপাতত শীর্ষ এই প্রতিপক্ষের সঙ্গে ঝামেলা এড়িয়ে চলতে চাইছে চীন।

আসন্ন বৈঠক নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চীনা রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে আলোচনায় বাইডেনকে এটা স্পষ্ট করতে হবে যে চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিযোগিতা চায়, কোনো ধরনের সংঘাত না।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে জো বাইডেন ও সি চিন পিংয়ের মধ্যে ফোনালাপ হয়। বাইডেন ক্ষমতায় আসার পর থেকে সেটি ছিল দ্বিতীয়বারের মতো দুই দেশের প্রেসিডেন্টের মধ্যে আলাপ।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন