বিজ্ঞাপন

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি বলেছেন, জেনেভায় আগামী ১৬ জুন বাইডেন ও পুতিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তিনি জানান, যেহেতু তাঁরা যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়ার মধ্যকার সম্পর্কে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে চান, তাই দুই নেতা তাঁদের বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন।

ক্রেমলিনও এ বৈঠকের কথা নিশ্চিত করেছে। এক বিবৃতিতে ক্রেমলিন বলেছে, পুতিন ও বাইডেন কৌশলগত স্থিতিশীলতার ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনা করবেন। তাঁরা আঞ্চলিক দ্বন্দ্বের সুরাহা নিয়ে কথা বলবেন। তাঁরা আলোচনা করবেন চলমান করোনা মহামারি নিয়েও।

গত ২০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন বাইডেন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক সফরে যাচ্ছেন। আর এ সফরেই পুতিনের সঙ্গে তাঁর দেখা হচ্ছে।

বাইডেন ও পুতিনের মধ্যকার আসন্ন বৈঠকের ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে ইতিমধ্যে আইসল্যান্ডে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠক করেছেন। সেই বৈঠকে উভয় পক্ষ সম্পর্কোন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপ, সাইবার হামলাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ক্রেমলিনের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্কে উত্তেজনা রয়েছে।

বাইডেন ক্ষমতায় এসে মস্কোর ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। রাশিয়ার বিরোধী নেতা অ্যালেক্সি নাভানলিকে বিষপ্রয়োগ ও কারাবন্দী করা নিয়ে মস্কোর কড়া সমালোচনা করছে ওয়াশিংটন।

পুতিনের বিরুদ্ধে নাভানলিকে হত্যার জন্য বিষ প্রয়োগের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। যদিও পুতিন এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

গত মাসে এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পুতিনকে ‘হত্যাকারী’ বলে মন্তব্য করেছিলেন বাইডেন। তাঁর এমন মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় ক্রেমলিন। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের আশা, বাইডেন-পুতিনের আসন্ন বৈঠকের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন