‘রিকনিং উইথ দ্য ইউএস রোল ইন গ্লোবাল ওশান প্লাস্টিক ওয়েস্ট’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে এ ব্যাপারে জাতীয় কৌশল প্রণয়নের মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবিলার আহ্বান জানানো হয়েছে। ২০২০ সালে কার্যকর হওয়া ‘সেভ আওয়ার সিস ২.০ অ্যাক্ট’ অনুসারে বছরে এ ধরনের প্রতিবেদন দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে কংগ্রেসের।

প্রাথমিকভাবে সাগর-মহাসাগরের বর্জ্যের জন্য জাহাজসহ সাগরভিত্তিক অন্যান্য উৎসকে দায়ী করা হতো। তবে স্থলভাগের বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিকের বর্জ্য নদীপথে সাগরে যায়। এতে সাগর দূষিত হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি মাছসহ হাজার হাজার জলজ প্রাণীর শরীরে প্লাস্টিক ঢুকছে। মানুষের খাদ্যতালিকায় রয়েছে সামুদ্রিক মাছ।

গবেষণা অনুযায়ী, ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৪ কোটি ২০ লাখ মেট্রিক টন প্লাস্টিকের বর্জ্য উৎপাদিত হয়, যা চীনের প্রায় দ্বিগুণ এবং সম্মিলিতভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোর চেয়েও বেশি। মার্কিনদের পরে সবচেয়ে বেশি প্লাস্টিকের বর্জ্য উৎপাদনে দায়ী ব্রিটিশরা। ব্রিটেনের একজন নাগরিক গড়ে বছরে ৯৯ কিলোগ্রাম প্লাস্টিকের বর্জ্য উৎপাদন করেন। দক্ষিণ কোরিয়ার একজন নাগরিক উৎপাদন করেন বছরে গড়ে ৮৮ কিলোগ্রাম।

কংগ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৬৬ সালে বিশ্বব্যাপী প্লাস্টিকের বর্জ্য উৎপাদিত হয় ২ কোটি মেট্রিক টন, ২০১৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮ কোটি ১০ লাখ মেট্রিক টনে। অর্থাৎ এই সময়ে প্লাস্টিকের বর্জ্য বেড়েছে ২০ গুণ।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন