বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চীনা কর্তৃপক্ষ করোনাভাইরাসের জিন নকশা উন্মুক্ত করার পর থেকে গত জানুয়ারি মাসে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জিস অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস টিকা তৈরিতে সহযোগী হিসেবে কাজ শুরু করে। এই চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী ওই প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দেন।

টিকাটি তৈরি হয়েছে নতুন প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে। কৃত্রিমভাবে ‘মেসেঞ্জার আরএনএ’ মানুষের কোষে প্রবেশ করানো হয়েছে। আর এর মাধ্যমে টিকাকে কার্যকর করা হয়েছে।

ফাউসি বলেছেন, নতুন এ পদ্ধতি ব্যবহারের বিষয়ে তাঁদের সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছিল।

গতকাল সোমবার মডার্না ও এনআইএইচ ঘোষণা দিয়েছে, ৩০ হাজার মানুষের ওপর তাদের চালানো টিকা পরীক্ষার প্রাথমিক ফলাফলে ৯৪ দশমিক ৫ শতাংশ কার্যকারিতা দেখা গেছে। মডার্নার ক্ষেত্রে টিকার ট্রায়ালে ৯৫ জন অংশ নিয়েছিলেন।

গত সপ্তাহে টিকা নিয়ে সুখবর দিয়েছিল ফাইজার ও বায়োএনটেক। তাদের টিকাটির প্রাথমিক ফলাফলে ৯০ শতাংশ কার্যকর বলে দাবি করা হয়।

ফাউসি আরও বলেন, ‘তথ্য নিজেই কথা বলছে। আমি বা আমার কোনো মত এখানে নেই। তথ্যের দিকেই তাকিয়ে দেখুন।’

টিকা তৈরিতে মডার্না আলোচনায় থাকলেও ফাউসি এ ক্ষেত্রে এনআইএইচের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

ফাউসি বলেছেন, সামনে যুক্তরাষ্ট্রে টিকাবিরোধী মনোভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন তিনি। বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত দেশের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তিনি বলেন, অনেক দূর যেতে হবে। টিকা বিতরণের বিষয়টি নিয়ে কাজ করতে হবে এবং অধিকাংশ মানুষকে টিকা দিতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন