default-image

মেক্সিকোর মধ্যাঞ্চলে গতকাল বৃহস্পতিবার পুলিশের একটি গাড়িবহরে গুলি চালিয়েছে অপরাধী চক্রের সদস্যরা। এতে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। হামলাকারীদের ধরতে মেক্সিকোর ন্যাশনাল গার্ড ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। এএফপি ও বিবিসির খবর।

মেক্সিকো রাজ্যের কোয়াটপেক হ্যারিনাস পৌর এলাকায় পুলিশ বহরে ওই হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় ওই এলাকায় কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছিলেন পুলিশ সদস্যরা।

ওই রাজ্যের নিরাপত্তা দপ্তর ও কৌঁসুলিরা বলেন, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে পুলিশ ছাড়াও স্থানীয় অ্যাটর্নির কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা রয়েছেন। তবে এ হামলার জন্য সুনির্দিষ্টভাবে কোনো গোষ্ঠীকে দায়ী করা যায়নি।

মেক্সিকোয় অপরাধী গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা দমনে ২০০৬ সালে সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করে সরকার। এরপর থেকে দেশটিতে এ পর্যন্ত ৩ লাখের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। গত বছর দেশটিতে হামলার বিভিন্ন ঘটনায় ৫ শতাধিক পুলিশ নিহত হয়।

এ ঘটনাকে ‘কাপুরুষোচিত’ হামলা হিসেবে আখ্যায়িত করে কর্তৃপক্ষ বলেছে, হামলায় জড়িত লোকজনকে ধরতে অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বিজ্ঞাপন

রাজধানী মেক্সিকো সিটির পার্শ্ববর্তী মেক্সিকো রাজ্যটিতে বিভিন্ন অপরাধী গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে। রাজ্যটি মেক্সিকোর সবচেয়ে সহিংস রাজ্যগুলোর একটি বলে মনে করা হয়।

মেক্সিকোয় অপরাধী গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা দমনে ২০০৬ সালে সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করে সরকার। এরপর থেকে দেশটিতে এ পর্যন্ত ৩ লাখের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। গত বছর দেশটিতে হামলার বিভিন্ন ঘটনায় ৫ শতাধিক পুলিশ নিহত হয়।

গতকালের হামলা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা কিছু ছবিতে দেখা যায়, সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে আছে গুলিতে ঝাঁঝরা হওয়া পুলিশের কয়েকটি যান। মাটিতে পড়ে আছে কয়েকজনের মরদেহ।

এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার করেনি।

মেক্সিকো রাজ্যের নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী রদ্রিগো মার্টিনেজ-সেলিস ওই হামলাকে মেক্সিকোবাসীর জন্য অপমান বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, সর্বশক্তি দিয়ে এ ঘটনার জবাব দেওয়া হবে।

ইতিমধ্যে হামলাকারীদের সন্ধানে মেক্সিকোর ন্যাশনাল গার্ড ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন