বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ফিলাডেলফিয়ার ডেপুটি ফায়ার কমিশনার ক্রেইগ মারফি সাংবাদিকদের বলেন, তাঁর দেখা সবচেয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাগুলোর মধ্যে এটি একটি।

গতকাল মারফি বলেন, অভূতপূর্ব এই প্রাণহানি যেন বৃথা না যায়, সেটা নিশ্চিত করার জন্য তাঁরা পরিকল্পনা করছেন।

মারফি জানান, আগুন লাগার পর আটজন বাসিন্দা ভবনটি থেকে কোনোভাবে বের হয়ে প্রাণে বেঁচে গেছেন।

যখন আগুন লাগে, তখন তিনতলা ভবনটিতে ২৬ জন বাসিন্দা ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভবনটি সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত ফিলাডেলফিয়া হাউজিং অথরিটির মালিকানাধীন।

কর্মকর্তারা বলেছেন, ২০২০ সালে ভবনটি শেষবার পরিদর্শন করা হয়েছিল। তখন সেখানে চারটি ‘স্মোক ডিটেক্টর’ সচল ছিল। কিন্তু আগুনের সময় এগুলোর একটিও কাজ করেনি।

মারফি সাংবাদিকদের বলেন, কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত এ অগ্নিকাণ্ডের কারণকে সন্দেহজনক মনে করছে না। তবে প্রাণহানির কারণে ঘটনাটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করা হবে।

গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে ফিলাডেলফিয়ার মেয়র জিম কেনে বলেন, ‘নিঃসন্দেহে আজ আমাদের শহরের সবচেয়ে দুঃখজনক দিনগুলোর একটি। দুঃখজনকভাবে অনেক মানুষ এভাবে প্রাণ হারালেন। বিশেষ করে এতগুলো শিশুকে হারানো বিপর্যস্ত হওয়ার মতো একটি বিষয়।’

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন