বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার এফডিএ আয়োজিত বৈঠকে দিনভর বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন ও বিতর্ক হয়। এরপর হয় ভোটাভুটি। ১৭ বিশেষজ্ঞ টিকা প্রদানের পক্ষে ভোট দেন। একজন বিশেষজ্ঞ ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন। বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন, এ টিকা দেওয়া হলে শিশুরা স্বাস্থ্যগতভাবে যেমন উপকার পাবে, তেমনি স্কুল বন্ধ থাকা কিংবা অন্য ব্যাঘাত থেকেও মুক্তি পাবে। এ বয়সী শিশুদের টিকা দেওয়ার কারণে যতটা লাভ হবে, তার তুলনায় জ্ঞাত ঝুঁকির পরিমাণ নগণ্য।

এফডিএর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেলে আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রে ২ কোটি ৮০ লাখ শিশু ফাইজারের টিকা পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের রোগনিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের (সিডিসি) বিশেষজ্ঞ আমান্ডা কোহনও টিকা দেওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘যখন আমি শুনি শিশুদের আইসিইউতে রাখতে হচ্ছে, কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার কারণে দীর্ঘ মেয়াদে ভুগছে তারা এবং শিশুরা মারা যাচ্ছে; তখন টিকা নিলে ঝুঁকির তুলনায় লাভ যে বেশি হবে, তা আমার কাছে পুরোপুরি স্পষ্ট।’

ফিলাডেলফিয়াভিত্তিক শিশু হাসপাতালের চিকিৎসক পল অফিট বলেন, ‘কখন সব জানব, তার চেয়ে কখন যথেষ্ট পরিমাণ জানব, সেটাই বড় কথা।’ তিনি মনে করেন, উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা শিশুরা টিকা নিলে উপকৃত হবে। তা ছাড়া ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের জন্য ডোজের পরিমাণ কম হওয়ার কারণে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকিও কম বলে মনে করেন তিনি।

ফাইজার-বায়োএনটেক বলে আসছে, ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ১০ মাইক্রোগ্রাম ডোজকে তারা যথাযথ মনে করছে, যা প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ডোজের তুলনায় তিন গুণ কম। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে এ ডোজের পরিমাণ ৩০ মাইক্রোগ্রাম।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন