বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পেশায় পশু চিকিৎসাকর্মী ওলসেন জানান, তিনি আগে থেকেই দেখে আসছিলেন, লউয়ের কান দুটো বেশ বড় আকারের, যা অন্যান্য কুকুরের তুলনায় বেশ লম্বা। তবে আগে কখনোই কুকুরটির কানের দৈর্ঘ্য মাপা হয়নি। করোনা মহামারির সময় লউকে অন্য জায়গায় আশ্রয় দেওয়ার প্রয়োজন দেখা দেয়। ওই সময় কুকুরটির কানের দৈর্ঘ্য মাপা হয়। পরবর্তী সময়ে রেকর্ডের খাতায় নাম লেখাতে আবেদন করা হয় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষের কাছে। গিনেস কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় যাচাই–বাছাই শেষে বিশ্ব রেকর্ডের বইয়ে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা কানের জীবিত কুকুর হিসেবে লউয়ের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে।

ওলসেন আরও জানান, এত লম্বা কানের জন্য লউয়ের কোনো ধরনের শারীরিক সমস্যা নেই। এমনকি আলাদা করে কুকুরটির কানের কোনো যত্ন নিতেও হয় না। তিনি বলেন, সবাই লউয়ের লম্বা কান দুটো ভীষণ পছন্দ করে। ছুঁয়ে দেখতে চায়। ব্যতিক্রমী কানের জন্য সবাই লউকে ভালোবাসে। এর আগেও কুকুর নিয়ে কয়েকটি আয়োজনে পদক জিতেছে লউ।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন