বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির নতুন সিদ্ধান্তের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ২৮০টি অত্যাধুনিক মাঝারি পাল্লার এআইএম-১২০সি ক্ষেপণাস্ত্র ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি কিনতে পারবে সৌদি আরব।

ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট সামরিক অভিযান চালাচ্ছে। হুতি বিদ্রোহীদের ড্রোনসহ সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি ইরান সরবরাহ করছে বলে অভিযোগ মার্কিন কর্মকর্তাদের।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র বলেন, সৌদি ও মার্কিন বাহিনীর জন্য হুমকিস্বরূপ ড্রোন, বিশেষ করে, ইয়েমেন থেকে ছোড়া ড্রোন রুখে দিতে ইতিমধ্যে এ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের সক্ষমতা অর্জন করেছে রিয়াদ।

সৌদি আরবকে লক্ষ করে ইয়েমেন থেকে ড্রোন হামলা প্রসঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওই মুখপাত্র বলেন, গত বছর সৌদির বিরুদ্ধে আন্তসীমান্ত হামলার সংখ্যা বাড়তে দেখা গেছে।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে জো বাইডেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর সৌদি আরবকে সমর্থনের ক্ষেত্রে তাঁর প্রশাসন সতর্কতামূলক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করে। হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সৌদির কঠোর নীতিসহ দেশটির মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় এ অবস্থান নেয় ওয়াশিংটন। এমন প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির ঘোষণা এল।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্রের ভাষ্যমতে, যে ক্ষেপণাস্ত্র সৌদির কাছে বিক্রি করা হচ্ছে, তা স্থলভাগের নিশানায় আঘাত হানার জন্য ব্যবহার করা যাবে না। এগুলো শুধু আকাশ থেকে আকাশে ব্যবহার করতে হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র বলেন, ইয়েমেন প্রশ্নে বর্তমান মার্কিন প্রশাসনের কূটনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে সংগতি রেখেই সৌদির কাছে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো বিক্রির সিদ্ধান্ত হয়েছে। ইয়েমেন চলমান সংঘাত অবসানে কূটনৈতিক তৎপরতা এগিয়ে নেওয়ার পক্ষে মার্কিন প্রশাসনের অবস্থান। পাশাপাশি ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হামলা থেকে সৌদি আরব যেন নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে পারে, তা–ও নিশ্চিত করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন