default-image

সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যার জেরে সৌদি আরবে অস্ত্র বিক্রিতে লাগাম টানতে চান যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতারা। এ জন্য মার্কিন পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ) স্থানীয় সময় গত বুধবার একটি বিল পাস হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ভার্জিনিয়ার ডেমোক্রেটিক কংগ্রেসম্যান গ্যারি কনর্নোলির উদ্যোগে কংগ্রেসে একটি বিল উত্থাপন করা হয়েছিল। বিলটি ৩৫০–৭১ ভোটে পাস হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে সৌদি আরবে অস্ত্র কিংবা প্রতিরক্ষা সেবা বিক্রি, অনুমোদন ও হস্তান্তরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের যেকোনো উদ্যোগে বাধা দেওয়ার সুযোগ থাকবে।

বিল পাসের পর টুইটার বার্তায় কংগ্রেস সদস্য গ্যারি বলেন, ‘জামাল খাসোগির মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা আমরা ভুলিনি। আমরা এটা ভুলতেও দেব না। কংগ্রেসের বক্তব্য সুস্পষ্ট, এ ঘটনায় সৌদি আরবের দায় রয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

সৌদি আরবের যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান ও দেশটির রাজপরিবারের কড়া সমালোচক ছিলেন খাসোগি। ওয়াশিংটন পোস্ট–এ কলাম লিখতেন তিনি। বিয়ের জন্য কাগজপত্র আনতে ২০১৮ সালের ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি আরবের কনস্যুলেটে যান খাসোগি। সেখানে তাঁকে নির্মমভাবে হত্যার পর মরদেহ গুম করে ফেলা হয়।

অভিযোগ ওঠে, সৌদি যুবরাজের নির্দেশে হত্যা করা হয়েছে খাসোগিকে। শুরুতে অস্বীকার করলেও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে হত্যার কথা স্বীকার করে রিয়াদ। তবে যুবরাজের জড়িত থাকার বিষয়টি এড়িয়ে যায় দেশটি। খাসোগি হত্যার দায়ে সৌদির আদালত দেশটির পাঁচজন নাগরিককে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে খাসোগির পরিবার হত্যাকারীদের মাফ করে দিলে তাঁদের সাজা কমিয়ে ২০ বছরের কারাদণ্ড করা হয়।

গত ফেব্রুয়ারিতে খাসোগি হত্যা নিয়ে গোপন গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র। এতে হত্যার পেছনে সৌদি যুবরাজের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন