বিজ্ঞাপন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, শুধু ইসরায়েল নয়, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ, যেমন: মিসর, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে চলমান সহিংসতা অবসানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আহ্বান জানিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে এ কথা জানান বাইডেন। ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সংঘর্ষে এ পর্যন্ত ৬৫ জন নিহত ও প্রায় ৪০০ আহত হয়েছেন।

default-image

গত সোমবার থেকে গাজায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী শতাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলছে, ফিলিস্তিনিরা ১ হাজার ২০০–এরও বেশি রকেট ছুড়েছে। গত সাত বছরের মধ্যে এটি সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতা বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, তিনি রকেট হামলা বন্ধের জন্য টেলিফোনে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। গত জানুয়ারি মাসে বাইডেনের শপথ নেওয়ার পর থেকে শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তার সঙ্গে আব্বাসের এটিই প্রথম আলাপ।

টুইটে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের বিষয়টি জানিয়েছেন। টুইটে তিনি বলেন, ‘জেরুজালেম, পশ্চিম তীর ও গাজার পরিস্থিতি নিয়ে আমি প্রেসিডেন্ট আব্বাসের সঙ্গে কথা বলেছি। নিহত ব্যক্তিদের প্রতি আমি সমবেদনা জানিয়েছি। চলমান উত্তেজনা নিরসনে রকেট হামলার বন্ধ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছি।’

default-image

ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর ইসরায়েলি হামলা বন্ধের গুরুত্ব আরোপ করা হয়। ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর ইসরায়েলের সহিংস হামলার অবসানের আহ্বান জানানো হয় ওই বিবৃতিতে।

ফিলিস্তিনে হামলায় আহত শিশু ও মানুষের কথা উল্লেখ করে পরিস্থিতিকে মর্মান্তিক বলে অভিহিত করেছেন ব্লিঙ্কেন। তবে তিনি বলেন, হামাসের রকেট হামলা থেকে আত্মরক্ষার জন্য ইসরায়েল হামলা চালাচ্ছে। ব্লিঙ্কেন আরও বলেন, আত্মরক্ষার অধিকার ইসরায়েলের রয়েছে। আমি মনে করি, মানুষের জীবনের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ইসরায়েলের সবকিছু করা প্রয়োজন।

হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনার সময় বাইডেন জেরুজালেম ও তেল আবিবে হামাসের রকেট হামলার নিন্দা জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন