বাংলাদেশি তরুণ উইন রোজারিওকে হত্যার প্রতিবাদে নিউইয়র্কের ডাইভারসিটি প্লাজায় বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র, ২৯ মার্চ
বাংলাদেশি তরুণ উইন রোজারিওকে হত্যার প্রতিবাদে নিউইয়র্কের ডাইভারসিটি প্লাজায় বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র, ২৯ মার্চ

গুলিতে বাংলাদেশি তরুণ নিহত

নিউইয়র্কে বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে সুষ্ঠু বিচার দাবি

পুলিশের গুলিতে বাংলাদেশি তরুণ উইন রোজারিও নিহত হওয়ার ঘটনায় চার দফা দাবিতে নিউইয়র্কে বিক্ষোভ-সমাবেশ হয়েছে। জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার বিকেলে দুই শতাধিক বাংলাদেশি অভিবাসী অংশ নেন। যোগ দেন অনেক আমেরিকানও। সমাবেশ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানানো হয়।

প্রবাসী বেঙ্গলি খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশন এই বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে ‘লাল মরিচ’ নামে আমেরিকান বাংলাদেশি ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীরা যোগ দেন।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি গাব্রিয়েল তাপস গোমেজের সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। কমিউনিটি সংগঠক সুখেন জোসেফ গোমেজের সঞ্চালনায় বক্তারা এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান। লোকজন প্রতিবাদী স্লোগান-সংবলিত ব্যানার, প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন নিয়ে সমাবেশে যোগ দেন।

বিক্ষোভ সমাবেশে সাংস্কৃতিক সংগঠক গোপাল সান্যাল বলেন, ‘মাত্র ১২ ঘণ্টার আহ্বানে এত মানুষের সমাগম বলে দেয় ১৯ বছরের উইন রোজারিও হত্যায় বাঙালিরা কতটা বিক্ষুব্ধ। আমাদের একটাই দাবি, সুষ্ঠু তদন্ত ও নির্ভুল বিচার।’

সমাবেশের পক্ষ থেকে চারটি দাবি জানানো হয়। সেগুলো হলো—হত্যাকারী পুলিশ কর্মকর্তার নাম প্রকাশ করতে হবে, পুলিশের বডি ক্যামেরায় ধারণ করা অসম্পাদিত ও পূর্ণাঙ্গ ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করতে হবে, ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে অবিলম্বে বরখাস্ত করতে হবে এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্য সহযোগী পুলিশ কর্মকর্তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে।

স্থানীয় সময় গত বুধবার নিউইয়র্কের কুইন্স এলাকায় নিজ বাসায় পুলিশের গুলিতে নিহত হন ১৯ বছরের তরুণ উইন রোজারিও। স্থানীয় কর্মকর্তারা বলছেন, ওই তরুণ পুলিশ সদস্যদের দিকে এক জোড়া কাঁচি নিয়ে তেড়ে গেলে আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি চালায়।