বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

আনিসুল হক তাঁর বক্তব্যে নিজের লেখক হয়ে ওঠার কাহিনি বর্ণনার পাশাপাশি নিজের সম্প্রতি সমাপ্ত উপন্যাস, সমসাময়িক কবি-লেখকদের সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে নিজের ভাবনা, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং বিশ্লেষণ তুলে ধরেন।

খান আদিব আল আশিকের গিটারের সঙ্গে ফাতমা সুমাইয়া খানের কণ্ঠে আনিসুল হকের লেখা কবিতা আবৃত্তি দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। টরন্টোর শুভানুধ্যায়ীদের পক্ষে আতিকুর রহমান কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক এবং কবি আসাদ চৌধুরীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

নতুন প্রজন্ম-সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে লেখক আনিসুল হক বলেন, তরুণদের বড় একটি অংশই বই এবং অন্যান্য টেক্সট পড়ে। বিভিন্ন ফোরামে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত প্রশ্ন করে, যাতে তাদের পড়াশোনা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তাঁর ৬ খণ্ডের উপন্যাস ‘রক্তে আঁকা ভোর’-এর প্রসঙ্গ তুলে ধরে আনিসুল হক বলেন, ২০০৯ সাল থেকে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এই উপন্যাসের কাজ শুরু করেন। তিনি বলেন, এই উপন্যাসে তিনি বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল একটা সময়কে যতটা পেরেছেন, তুলে আনার চেষ্টা করেছেন।

কবি আসাদ চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে কথাসাহিত্যিক আনিসুল হকের মেধা এবং প্রতিভার প্রশংসা করে বলেন, লেখক হিসেবে আনিসুল হক জনপ্রিয়, কিন্তু তাঁর সবচেয়ে বড় গুণ তাঁর বিনয়। অকপটে অন্য লেখকের প্রশংসা করা এবং অগ্রজদের সম্মান করার ক্ষেত্রে তিনি অকৃপণ।

আনিসুল হকের ‘রক্তে আঁকা ভোর’ উপন্যাসকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে অসাধারণ কাজ হিসেবে অভিহিত করে কবি আসাদ চৌধুরী বলেন, ইতিহাসকে আশ্রয় করে উপন্যাস লেখার ক্ষেত্রে আনিসুল হক ইতিহাসের প্রতি সত্যনিষ্ঠ থেকেছেন।

নতুনদেশ-এর প্রধান সম্পাদক শওগাত আলী সাগর বলেন, সাহিত্য এবং সাংবাদিকতায় দাপটের সঙ্গে বিচরণের মাধ্যমে আনিসুল হক নিজেকে স্বতন্ত্র সত্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। মুক্তিযুদ্ধে ভাবধারায় নাগরিকদের মানস গঠনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বিজ্ঞপ্তি

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন