বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধারণ করে শিল্পীর আঁকা প্রায় প্রতিটি চিত্রকর্মে উঠে এসেছে আবহমান বাংলার বসন্ত উৎসব, ভাটিয়ালি, বেহুলা, নৌকাবাইচ, ধামাইল, দীপাবলিসহ বঙ্গীয় নারী শক্তি আর ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সাম্প্রদায়িকতা ও বিভাজনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। দর্শকদের জন্য প্রদর্শনী প্রতিদিন খোলা থাকবে বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। প্রদর্শনীটি শেষ হবে ১৬ ডিসেম্বরে।

বিলেতে জন্ম এবং বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের মধ্যে বাংলাদেশের শিল্প আর সংস্কৃতির মেলবন্ধনের লক্ষ্যে প্রদর্শনস্থলে ১২ ডিসেম্বর বেলা ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আর্ট ওয়ার্কশপের আয়োজন করছে সাংস্কৃতিক সংগঠন মুক্ত আর্টস। বিডি ফিফটি শিরোনামে শিশুদের এ চিত্রাঙ্কন কর্মশালা পরিচালনা করবেন মুক্তা চক্রবর্তী।

default-image

প্রদর্শনীর বিষয়বস্তু ও শিল্পভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে মুক্তা চক্রবর্তী বলেন, আমাদের মহান মুক্তিসংগ্রামের অন্যতম লক্ষ্য ছিল সাংস্কৃতিক মুক্তি। কিন্তু আমাদের নিজেদের গৌরবময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংরক্ষণ, চর্চা এবং উপস্থাপনের যতটা প্রয়োজন ছিল, ততটা হয়নি। অথচ একমাত্র নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যচর্চার মাধ্যমেই নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া আত্মপরিচয়ের সংকট দূর করা সম্ভব। সেই সঙ্গে রয়েছে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশকে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের সুযোগ। সেই ভাবনা থেকেই আমাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে রং–তুলির মাধ্যমে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন