নতুন শ্রমবাজার উন্মোচিত হয়নি

ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

গত বছরের তুলনায় চলতি বছর অভিবাসন ৩৪ দশমিক ১৫ শতাংশ বেড়েছে। তাঁদের বড় অংশ স্বল্পমেয়াদি চুক্তিভিত্তিক কর্মী হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অভিবাসন করেছেন। এ বছর অভিবাসন বাড়লেও নতুন কোনো শ্রমবাজার উন্মোচিত হয়নি।

গতকাল বৃহস্পতিবার বেসরকারি গবেষণা সংস্থা রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরে। জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘বাংলাদেশ থেকে শ্রম অভিবাসনের গতি-প্রকৃতি ২০১৭: সাফল্য ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ৯ লাখ ৩১ হাজার ৮৩২ বাংলাদেশি কর্মী অভিবাসন করেছেন। ২০১৬ সালে জনশক্তি রপ্তানি হয়েছিল ৭ লাখ ৫৭ হাজার ৭৩১ জন।
বাংলাদেশ থেকে ২০১৫ সাল থেকে নারী কর্মীদের অভিবাসন ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ১ লাখ ১৩ হাজার ৯ জন নারী বিদেশে গেছেন। চলতি বছরে নারী অভিবাসীর সংখ্যা সর্বমোট অভিবাসীর ১২ দশমিক ১ শতাংশ। এটি ইতিবাচক দিক।

চলতি বছরের মোট অভিবাসীর প্রায় ৮৩ দশমিক ৬ শতাংশ উপসাগরীয় এবং অন্যান্য আরব দেশে গেছেন। বাকি ১৬ দশমিক ৯৩ শতাংশের বেশির ভাগ গেছেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়। সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ৫ লাখ ১৩ হাজার ৮৬২ জন কর্মী গেছেন সৌদি আরবে, যা মোট পাঠানো কর্মীর ৫৫ দশমিক ১৫ শতাংশ।
সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন রামরুর চেয়ার তাসনিম সিদ্দিকী।