মুন্সিগঞ্জে পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া স্পিডবোট থেকে ১৫ জনকে উদ্ধার
কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌপথে উত্তাল পদ্মায় ২০ জন যাত্রী নিয়ে স্পিডবোট ডুবে যাওয়ার ঘটনায় ১৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ও স্থানীয় লোকজনের ধারণা, স্পিডবোটের পাঁচজন নিখোঁজ রয়েছেন। আজ বুধবার সকাল ১০টার দিকে মুন্সিগঞ্জে লৌহজং পয়েন্টে পদ্মা নদীর প্রবল স্রোত আর ঢেউয়ের আঘাতে স্পিডবোটটি উল্টে ডুবে যায়।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের তথ্যমতে, মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট থেকে সকালে ২০ জন যাত্রী নিয়ে শামীম এন্টারপ্রাইজের একটি স্পিডবোট মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি ঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। লৌহজং পয়েন্টে প্রবল স্রোত আর ঢেউয়ের ধাক্কায় ২০ জন যাত্রী নিয়ে স্পিডবোটটি উল্টে ডুবে যায়। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন ট্রলার ও অন্য স্পিডবোটের মাধ্যমে ১৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করে। এর মধ্যে ছয়জনকে অসুস্থ অবস্থায় স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করেছেন স্থানীয় লোকজন।
বিআইডব্লিউটিএর কাঁঠালবাড়ি লঞ্চঘাটের ট্রাফিক পরিদর্শক আক্তার হোসেন দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, শিমুলিয়া থেকে স্পিডবোটটি ২০–২২ জন যাত্রী নিয়ে কাঁঠালবাড়ির দিকে আসছিল। মাঝপথে পদ্মার ঢেউয়ের ধাক্কায় স্পিডবোটটি উল্টে যায়। আশপাশে থাকা ট্রলার, লঞ্চ ও অন্য স্পিডবোটগুলোতে থাকা লোকজন দ্রুতগতিতে তাৎক্ষণিকভাবে কয়েকজনকে উদ্ধার করতে পারেন। পরে নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ড উদ্ধারকাজ শুরু করে।
স্পিডবোটের পাঁচজন এখনো নিখোঁজ বলে জানিয়েছেন মাদারীপুরের শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরান আহম্মেদ। তিনি বলেন, ‘বিআইডব্লিউটিএর সঙ্গে সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, এ ঘটনায় এখনো পাঁচজন নিখোঁজ রয়েছেন।’
পদ্মায় প্রবল স্রোত ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে এই নৌপথে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে বলে তিনি জানান।