বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির দাবি

>
  • তিন আসনে ভোটার ৮ লাখ ৬১ হাজার ৬৫৭ জন।
  • মৎস্যজীবী ভোটার ১ লাখ ২ হাজার।
  • বছরের মাত্র চার মাস তারা বিনা বাধায় মাছ শিকার করতে পারেন
  • সরকারিভাবে চাল বিতরণ করা হলেও তা অপ্রতুল

শরীয়তপুরে জেলে পরিবার রয়েছে ৩৩ হাজারের বেশি। এর মধ্যে ভোটার লাখখানেক। এই জেলেরা বছরের আট মাসেরও বেশি সময় বেকার অবস্থায় থাকেন। অর্ধাহারে-অনাহারে তাঁদের দিন কাটাতে হয়। জেলে পরিবারের সদস্যরা সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের কাছে বিকল্প কর্মসংস্থান ও খাদ্যের নিশ্চয়তার দাবি তুলে ধরছেন। নির্বাচিত হতে পারলে এসব দাবি পূরণের আশ্বাস দিচ্ছেন প্রার্থীরা।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শরীয়তপুরের ওপর দিয়ে পদ্মা ও মেঘনা নদী প্রবাহিত হয়েছে। পদ্মা নদী রয়েছে ৩৯ কিলোমিটার আর মেঘনা নদী রয়েছে ২২ কিলোমিটার। নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলোর অধিকাংশ মানুষের পেশা মৎস্য শিকার করা। মৎস্য শিকার করে যা আয় হয় তা দিয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তাঁরা জীবিকা নির্বাহ করেন। শরীয়তপুরে ৩৩ হাজার ৩২৪টি জেলে পরিবার রয়েছে। ওই সব পরিবারে অন্তত ১ লাখ ২ হাজার ভোটার রয়েছেন।

বছরের নভেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত জাটকা শিকার নিষিদ্ধ থাকে। এ ছাড়া চার মাস থাকে ইলিশের অভয়াশ্রমে মাছ শিকার বন্ধ। আর প্রতিবছর অক্টোবর মাসে ২২ দিন থাকে ইলিশের প্রজনন সময়। ওই সময় মা ইলিশ সংরক্ষণের জন্য নদীতে সব ধরনের জাল ফেলা নিষেধ থাকে। জেলেরা সারা বছরের চার মাস নদীতে বিনা বাধায় মাছ শিকার করতে পারেন। ওই চার মাসের আয় দিয়ে সারা বছর পরিবারের ভরণপোষণ হয় না। এ বছর জেলা প্রশাসন ১৭ হাজার ৩৫০ জন জেলেকে খাদ্যসহায়তা হিসেবে ২০ কেজি করে চাল দিয়েছে। শরীয়তপুরের তিনটি নির্বাচনী এলাকার ভোটার সংখ্যা ৮ লাখ ৬১ হাজার ৬৫৭ জন। এর মধ্যে মৎস্যজীবী ভোটার ১ লাখ ২ হাজার।