টেকনাফে 'বন্দুকযুদ্ধে' একজন নিহত
কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মো. বেল্লাল হোসেন (৩৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার ভোররাতে উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের খারাংখালী বেড়িবাঁধে ৩ নম্বর স্লুইসগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বিজিবির ভাষ্যমতে, নিহত ব্যক্তি ইয়াবা ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁর বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদরের ভবানীগঞ্জে। ঘটনাস্থল থেকে ৭ হাজার ইয়াবা ও দুটি ধারালো কিরিচ উদ্ধার করা হয়েছে।
টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আছাদুদ জামান চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কের হোয়াইক্যং বিজিবির তল্লাশি চৌকি এলাকা থেকে মো. বেল্লাল হোসেনকে ইয়াবা বড়িসহ আটক করা হয়। পরে তিনি জানান যে বিপুল পরিমাণ ইয়াবার চালান উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের খারাংখালী বেড়িবাঁধে ৩ নম্বর স্লুইসগেট এলাকায় ঢুকবে। এই তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের নায়েক সুবেদার মো. তোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল ওই এলাকায় যায়। পরে আজ ভোররাতে ৩ নম্বর স্লুইসগেট সংলগ্ন এলাকা দিয়ে একদল লোককে উঠে আসতে দেখে তাদের চ্যালেঞ্জ করলে চোরাকারবারিরা টহল দলের ওপর গুলি চালাতে থাকে। তাঁরা ধারালো অস্ত্র নিয়েও হামলা করে। এতে বিজিবির দুজন সদস্য আহত হন। এ সময় বিজিবি আত্মরক্ষার্থে গুলি ছোড়ে। পরে ওই এলাকায় তল্লাশি করে মো. বেল্লাল হোসেনের গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ পাওয়া যায়।
বিজিবির এই কর্মকর্তা বলেন, ঘটনাস্থল থেকে ৭ হাজার ইয়াবা ও দুটি ধারালো কিরিচ উদ্ধার করা হয়েছে। বিজিবির আহত দুই সদস্য এখন বিজিবির হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
লাশ উদ্ধারকারী কর্মকর্তা ও হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল ইসলাম বলেন, লাশের শরীরে একাধিক গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।
টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এবিএমএস দোহা প্রথম আলোকে বলেন, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।