বন্ধুর জন্য মাঠে...

১৯৯২ সালের কথা। তাঁরা তিন শতাধিক শিক্ষার্থী ছিলেন। একই বিদ্যালয়ে পড়ালেখা শেষে এসএসসি উত্তীর্ণ হন সবাই। এর মধ্যে কেটে গেছে অনেক বছর। কর্মব্যস্ততায় একেকজন একেক জায়গায় অবস্থান করছেন। দেখা নেই, কথা নেই দীর্ঘ সময়। তবে এবার তাঁরা দল বেঁধে এসে দাঁড়িয়েছেন পুরোনো বন্ধুর পাশে। তাঁদের বন্ধু আনোয়ার হোসেন নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী।
গুরুদাসপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হয়েছেন আনোয়ার হোসেন। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক। সহপাঠী ও বন্ধুর এমন দিনে দূরে থাকতে পারেননি কেউ-ই। জোটবদ্ধ হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন ভোটের মাঠে। গতকাল বুধবার বিকেলে প্রার্থী আনোয়ার হোসেনের বাসভবনের বসেছিল পুরোনো বন্ধুদের মিলনমেলা। দীর্ঘ সময় পর একসঙ্গে এত বন্ধু মিলিত হয়ে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে আপ্লুত হয়ে পড়েন। মুহূর্তেই ভোটের কথা ভুলে যান সবাই। দীর্ঘক্ষণ পর সে চিত্র বদলে শুরু হয় ভোটের রাজনীতি নিয়ে আলাপ–আলোচনা।
ওই মিলনমেলায় উপস্থিত পুরোনো সহপাঠী আরিফুল ইসলাম, আবদুল লতিফ ও আবু সাঈদ বলেন, তাঁরা একসঙ্গে বিদ্যালয়ের গণ্ডি ছাড়িয়েছেন অনেক আগেই। অনেকেই পড়ালেখা শেষ করে চাকরি করছেন। কেউ করছেন রাজনীতি বা ব্যবসা-বাণিজ্য। সময়ের ফাঁদে এত দিন তাঁরা একত্র হতে পারেননি কেউ-ই। তাঁরা আরও বলেন, কিন্তু উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তাঁদের সহপাঠী, বন্ধু আনোয়ার হোসেন ভোটের মাঠে রয়েছেন। এলাকার উন্নয়নে বন্ধুকে বিজয়ী করতে তাই সবাই তাঁর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন।
প্রার্থী আনোয়ার হোসেন বলেন, ভোটের মাঠে অনেক কর্মী-সমর্থক আছেন। কিন্তু পুরোনো সহপাঠীদের পাশে পেয়ে তিনি প্রচারণায় বাড়তি জোর পাচ্ছেন।