খাগড়াছড়িতে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

খাগড়াছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কালী বন্ধু ত্রিপুরাকে (৬০) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে খাগড়াছড়ির থলিবাড়ি নুনছড়ি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ সাতজন আহত হয়েছেন।
আহত ব্যক্তিরা হলেন রেমা প্রতি ত্রিপুরা (৫৭), প্রদীপ ত্রিপুরা (২৪), যত বিকাশ ত্রিপুরা (৩০), অরুণা ত্রিপুরা (৩৫), রুপবালা ত্রিপুরা (৩৫), বিদ্যা রতন ত্রিপুরা (৩৫) ও উৎপল ত্রিপুরা (৮)।
পুলিশ ও স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, প্রায় দুই বছর পর খাগড়াছড়ি শহর থেকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গ্রামের বাড়ি ফিরছিলেন ইউপি সদস্য কালী বন্ধু ত্রিপুরা। থলিবাড়ি নুনছড়ি এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয় বাসিন্দা নিহার বিন্দু ত্রিপুরার নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এতে ঘটনস্থলেই প্রাণ হারান কালী বন্ধু ত্রিপুরা। নিহার বিন্দু থলিপাড়ার চিরঞ্জিত ত্রিপুরার ছেলে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২০১৭ সালের মে মাসে চিরঞ্জিত ত্রিপুরা ও তাঁর ছেলে কর্ণ ত্রিপুরা নিহত হন। ওই ঘটনায় কালী বন্ধু ত্রিপুরা কারাভোগের পর পরিবার নিয়ে জেলা শহরে বসবাস করে আসছিলেন।
খাগড়াছড়ি হাসপাতালের চিকিৎসক নয়নময় ত্রিপুরা বলেন, আহত প্রদীপ ত্রিপুরা ও যত বিকাশ ত্রিপুরার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। বাকি পাঁচজনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাঁরা আশঙ্কামুক্ত।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম সালাউদ্দিন বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড হয়েছে বলে তাঁরা ধারণা করছেন।
খাগড়াছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাহাদাত হোসেন বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখনো কেউ মামলা করেননি।