টেকনাফ উপকূলে তিন শতাধিক রোহিঙ্গা আটক
করোনাভাইরাস সংক্রমণের আতঙ্কের মধ্যে কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে অনুপ্রবেশ করেছে তিন শতাধিক রোহিঙ্গা। গতকাল বুধবার রাতে তাদের আটক করে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া সৈকতের রাখা হয়।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন প্রথম আলোকে বলেন, রোহিঙ্গারা কয়েক দিন ধরে সাগরে ভেসে ছিল। অভুক্ত থাকতে থাকতে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে খাবার খাওয়ানো হবে এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার করা হবে। তারপর তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
কোস্টগার্ড চট্টগ্রাম পূর্ব জোনের অপারেশন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, রাতে টেকনাফের বাহারছড়া সৈকতের জাহাজপুরা ঘাট দিয়ে ওঠার সময় তিন শতাধিক রোহিঙ্গাকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। তারা বেশ কিছু দিন আগে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় যাত্রা করেছিল। কিন্তু কড়াকড়ির কারণে সেখানে ভিড়তে না পেরে তারা আবার টেকনাফ ফিরে আসে।
আটক রোহিঙ্গাদের মধ্যে বেশির ভাগ নারী ও শিশু রয়েছে বলে জানান টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
আটক রোহিঙ্গাদের দাবি, গত মার্চের শেষ দিকে তারা ট্রলার নিয়ে টেকনাফ উপকূল থেকে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। সবাই উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা আশ্রয় কেন্দ্রে থাকত। মালয়েশিয়ায় ঢুকতে না পেরে চার দিন আগে তারা ট্রলার নিয়ে সেন্ট মার্টিন উপকূলে ফিরে আসে। কিন্তু কোস্টগার্ড, বিজিবির টহল থাকায় এত দিন তারা ট্রলার নিয়ে সাগরে ভাসছিল। এরই মধ্যে অভুক্ত থেকে ২৮ জন মারা গেছে। এখন তারা ৩৪২ জন আছে। তাদের বেশির ভাগ টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা আশ্রয় কেন্দ্রে থাকত।