বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কর্মসূচি চালু রাখতে সরকার সাড়ে ১২ কোটি টাকা দিচ্ছে। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের এ কর্মসূচিতে এত দিন নোরাড, ড্যানিডাসহ অন্য উন্নয়ন সহযোগীরা সহায়তা করে আসছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এসব দাতা সংস্থার সহযোগিতার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তাই জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট এ কর্মসূচি চালু রাখতে এখন সরকার নিজেই অর্থায়ন করছে।
এ জন্য ১৯ কোটি চার লাখ টাকার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কর্মসূচি সম্প্রসারণ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পে বাস্তবায়নকারী সংস্থা বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র দেবে ছয় কোটি ৫৩ লাখ টাকা।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রকল্পটির মেয়াদ ২০১৪ সালের জুলাই থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত। আগামী আড়াই বছরের মধ্যে সারা দেশে এই কর্মসূচিটি সম্প্রসারণ, ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থাগারের বইগুলোর ই-সংস্করণ, যানবাহন কেনা, মেরামত ও সংরক্ষণ, কম্পিউটার সরঞ্জামাদি ও সফটওয়্যার কেনা, জনবলের বেতনভাতা মেটানো হবে। একনেক সভায় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সভাপতি আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে গতকালের একনেক সভায় মোট দুই হাজার ৮৮৭ কোটি টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদিত হয়। এর মধ্যে স্থানীয় মুদ্রায় এক হাজার ৩৮৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকা জোগান দেওয়া হবে। আর প্রকল্প সাহায্য হিসেবে পাওয়া যাবে এক হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ছয় কোটি ৭১ লাখ টাকা।
সভায় অনুমোদিত অন্য প্রকেল্পর মধ্যে রয়েছে ১৬৫ কোটি টাকার ইম্প্রুভমেন্ট অব রোড সেফটি অ্যাট ব্ল্যাক স্পটস অন ন্যাশনাল হাইওয়েস প্রকল্প, ৯০৯ কোটি টাকার হাওর এলাকায় বন্যা ব্যবস্থাপনা ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন (বাপাউবো অংশ) প্রকল্প।