ভারতের গুয়াহাটির রেস্তোরাঁয় পচা মাংস

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

আসামের গুয়াহাটির নামকরা রেস্তোরাঁয় পচা মাংস পরিবেশনের অভিযোগ উঠেছে। সেখানে রান্না করা মুরগির মাংসে কৃমি পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ। আসামের খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের কর্মকর্তারা ওই রেস্তোরাঁর রান্না করা মুরগির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছেন।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে ‘ভাগাড়-কাণ্ড’ বিষয়টি আলোচিত হয়ে ওঠে। ভাগাড়ে ফেলে দেওয়া মুরগিসহ নানা মরা পশুর মাংস রেস্তোরাঁগুলোয় পরিবেশনের অভিযোগেই ‘ভাগাড়-কাণ্ড’ পরিচিত হয়ে যায়। অভিযোগ ওঠার পর পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয় প্রশাসনিক অভিযান। বেশ কয়েকজন গ্রেপ্তারও হন। এতে সেখানে রান্না করা মুরগির বিক্রি কমে যায়। মানুষ ভয়ে মুরগি খাওয়া কমিয়ে দেন।

পশ্চিমবঙ্গের পর এবার আসামের গুয়াহাটির রেস্তোরাঁগুলোয় পচা মাংস বিক্রির অভিযোগ উঠল। গুয়াহাটির জু রোডে জোনালির একটি রেস্তোরাঁয় মুরগির ঝোলে কৃমি পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ।

আসামের স্থানীয় কয়েকটি গণমাধ্যমে জানানো হয়, রেস্তোরাঁয় গার্লিক চিকেন খেতে গিয়ে এক ক্রেতা এতে কৃমি পান। রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করলে তারা অস্বীকার করে। পরে বিষয়টি গণমাধ্যমের নজরে আনেন ওই ব্যক্তি। তিনি একটি ভিডিও ক্লিপ তুলে দেন। বলেন, পচা মুরগি রান্না করেছে ওই রেস্তোরাঁ। বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে আসাম সরকারের খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর।

পশ্চিমবঙ্গের ভাগাড়-কাণ্ডের আতঙ্ক আসামে আগেই ছড়িয়েছে। এ ছাড়া মাছে ফরমালিন-আতঙ্কও রয়েছে। সব মিলিয়ে খাবার নিয়ে বেশ ঝামেলায় পড়েছে আসামের মানুষ।