ক্ষমা চাইলেন প্রিন্স ফিলিপ

প্রিন্স ফিলিপ
প্রিন্স ফিলিপ

যুক্তরাজ্যের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের স্বামী প্রিন্স ফিলিপ তাঁর গাড়ির ধাক্কায় এক নারী আহত হওয়ার ঘটনায় ‘গভীর দুঃখ’ প্রকাশ করেছেন। আজ রোববার বিবিসির এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়।

১৭ জানুয়ারি নরফোকে বেলা তিনটার দিকে প্রিন্স ফিলিপের ল্যান্ড রোভার গাড়ি আরেকটি গাড়িকে ধাক্কা দেয়। দুর্ঘটনায় দ্বিতীয় গাড়ির আরোহীদের মধ্যে ইমা ফেয়ারউইদার নামের একজনের কবজি ভেঙে যায় ও চালকের হাঁটুতে জখম হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, দুর্ঘটনার সময় প্রিন্স ফিলিপের গাড়িটি সড়কে উল্টে যায়। পথচারীদের সহায়তায় তিনি বেরিয়ে আসেন। তবে তিনি অক্ষত ছিলেন।

সানডে মিরর জানায়, রাজপরিবারের ৯৭ বছর বয়সী এই সদস্য ইমা ফেয়ারউইদারকে ২১ জানুয়ারি চিঠি লিখেন। সেই চিঠির একটি কপি পত্রিকাটি প্রকাশ করে। তবে ইমা এ ধরনের কোনো চিঠি পাননি বলে সানডে মিররের কাছে অভিযোগ করেন।

নীল কালিতে ফিলিপের স্বাক্ষর করা লেখা সেই চিঠিতে বলা হয়, ‘এই দুর্ঘটনায় আমার ভাগের দায়ের জন্য আমি কতটা অনুতপ্ত তা আমি আপনাকে জানাতে চাই...যতদূর মনে করতে পারি আমি গাড়িটিকে আসতে দেখিনি এবং আমি এ ঘটনার জন্য খুবই অনুতপ্ত।’ 


ফিলিপ আরও বলেন, ‘এ দুর্ঘটনার পর আমি কেঁপে উঠি, কিন্তু যখন জানতে পারলাম কেউ গুরুতর আহত হয়নি, তখন কিছুটা স্বস্তি পেয়েছি। পরে আমি জানতে পারি আপনার হাত ভেঙে গেছে। আমি এ জন্য খুবই দুঃখিত।’

আর পাঁচ মাস পরই প্রিন্স ফিলিপের বয়স হবে ৯৮ বছর। ২০১৭ সালে তিনি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব থেকে অবসর নেন। গত এপ্রিলে তাঁর ঊরুসন্ধি প্রতিস্থাপনে অস্ত্রোপচার করা হয়। এই পরিস্থিতিতে এখনো তিনি নিজেই গাড়ি চালান।