মাঠের বাইরে ভালোই ফর্মে মিসেস কোহলি-ধাওয়ানরা

প্রথম আলোকে নির্ভরযোগ্য সূত্র হিসেবে পেতে হলেএখানে ক্লিক করুন
ভারতীয় ক্রিকেটারদের স্ত্রীরা ভালোই সময় কাটাচ্ছেন দক্ষিণ আফ্রিকা। ছবিটি নিউল্যান্ডসের ভিআইপি বক্সের। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।
ভারতীয় ক্রিকেটারদের স্ত্রীরা ভালোই সময় কাটাচ্ছেন দক্ষিণ আফ্রিকা। ছবিটি নিউল্যান্ডসের ভিআইপি বক্সের। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।

‘ওয়াগ’ ব্যাপারটা একসময় ছিল ইংল্যান্ডের, সেটাও ফুটবল দলের। সে রাজত্ব এখন ভারতীয় ক্রিকেট দল দখল করতে চলেছে। ভারতীয় ক্রিকেটারদের সঙ্গিনীরা যে আলো বাড়াচ্ছেন ভিআইপি গ্যালারির। এবার দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে সেখানে যুক্ত হয়েছেন আনুশকা শর্মা। এ অভিনেত্রীও হয়তো ভেবে নিয়েছেন, বিয়ের পর প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকা সফর, অভিনয়ের ব্যস্ততা থেকে মেলা ছুটি উপভোগই করা যাক। প্রাণভরে কেপটাউনের জল-আবহাওয়া উপভোগ করছেন আনুশকা।

বেশ কয়েকজন সঙ্গী-সাথি জুটে গেছে। তাঁরা আর কেউই নন, স্বামী কোহলির সহকর্মীদের সহধর্মিণীরা। শিখর ধাওয়ান, ভুবনেশ্বর কুমার, রোহিত শর্মাদের স্ত্রীরা ‘ফার্স্ট লেডি’ আনুশকাকে ভালোই সঙ্গ দিচ্ছেন। এই ‘ফার্স্ট লেডি’ শব্দ-যুগলে আনুশকার আপত্তি থাকতেই পারে। তিনি যে এই নামে পরিচিত হতে চান না। ধাওয়ানের স্ত্রী আয়েশা ধাওয়ান, রোহিতের স্ত্রী রিতিকা, মিসেস ভুবনেশ্বর নূপুর কিংবা রাহানে ও ঋদ্ধিমানের জীবনসঙ্গিনী রাধিকা ও রেমিদের সঙ্গে রীতিমতো বন্ধুত্বের সম্পর্ক তাঁর। কতটা বন্ধুত্বের, সেটি ইনস্টাগ্রামের একটা পোস্ট দেখেই বোঝা যায়। ধাওয়ানের স্ত্রী আয়েশা আনুশকাকে নিয়ে জিমের একটা ছবি দিয়েছেন। সেখানে আছেন আয়েশার মেয়েও। আয়েশা হ্যাশট্যাগ দিয়েছেন থ্রি স্টুজেস, ফ্রেন্ডস লাইক ফ্যামিলি লিখে।

ধাওয়ানের স্ত্রী ও মেয়ের সঙ্গে জিমে আনুশকা। ছবি: ইনস্টাগ্রাম
ধাওয়ানের স্ত্রী ও মেয়ের সঙ্গে জিমে আনুশকা। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

এই ছবির চেয়েও কেপটাউনের ভিআইপি বক্সের একটি ছবি দিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটারদের স্ত্রীদের মধ্যে দারুণ বন্ধুত্বের কথা বলে দেওয়া যায়। সেখানে রিতিকা, রাধিকা, আনুশকা, আয়েশারা সবাই বেশ আয়েশ করেই উপভোগ করছেন স্বামীদের খেলা। তাঁদের অভিব্যক্তি বলে দিচ্ছে, স্বামীদের পারফরম্যান্স যা-ই হোক না কেন—এসব নিয়ে তাঁরা একেবারেই ভাবছেন না। উপভোগই তাঁদের মূলমন্ত্র।
আনুশকা দ্রুতই দেশে ফিরে যাবেন। ১০ জানুয়ারি থেকেই নাকি তাঁর নতুন ছবির কাজ শুরু হচ্ছে। বাকি ক্রিকেটারদের স্ত্রীরাও হয়তো ফিরবেন দ্রুতই। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকায় রেখে আসবেন সুন্দর স্মৃতি। কোহলি-ধোনিরা কতটা হাসিমুখে ফিরতে পারবেন, সেটি সময়ই বলে দেবে।