রোনালদোর বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের ট্রফি না জেতাটা লজ্জার!

>ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর হাতে উয়েফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের ট্রফি না ওঠায় খেপেছেন তাঁর এজেন্ট হোর্হে মেন্দেজ।
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো সম্ভবত আগেই জানতেন, উয়েফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারটা তাঁর হাতে উঠছে না। তাই গতকাল মোনাকোয় উয়েফার জমকালো অনুষ্ঠানে যাননি। ভক্তরা অন্তত এমনটাই ভাবছেন। জুভেন্টাস তারকা গত মৌসুমের সেরা স্ট্রাইকারের পুরস্কার পেলেও বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের ট্রফিটাই বেশি মর্যাদাসম্পন্ন। রোনালদোর হাতে তা না ওঠায় খেপেছেন অনেকেই। হোর্হে মেন্দেজ তাঁদের একজন। পর্তুগিজ তারকার এই ‘সুপার এজেন্ট’ মনে করেন রোনালদোর হাতে বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের ট্রফি না ওঠা লজ্জার ব্যাপার।
মদরিচ রোনালদোর মত অসাধারণ গোলদাতা নন। কিন্তু গত মৌসুমে মাঝমাঠে রিয়ালকে বলতে গেলে একাই টেনেছেন। রিয়ালের টানা তৃতীয় চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ে অসাধারণ ভূমিকা রেখেছিলেন এই ক্রোয়াট মিডফিল্ডার। দেশকেও প্রথমবারের মতো তুলেছেন বিশ্বকাপের ফাইনালে। রাশিয়া বিশ্বকাপে ‘গোল্ডেন বল’ জয়ী মদরিচ গত ২০ বছরের মধ্যে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ ও উয়েফার বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতলেন। মদরিচ সমর্থকেরা এসব পুরস্কার দু হাত ভরে নিলেও মেন্দেজের মুখটা কিন্তু ভার।
এবার উয়েফা বর্ষসেরা ফুটবলার হওয়ার দৌড়ে তিনজনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিলেন রোনালদো, মদরিচ এবং মোহাম্মদ সালাহ। রিয়ালের সাবেক সতীর্থকে ৯০ ভোট ব্যবধানে হারিয়ে পুরস্কারটি জিতেছেন মদরিচ। আর সালাহর সঙ্গে তাঁর ভোট ব্যবধান ১৭৯। রোনালদোর এই হার মেনে নিতে পারছেন না তাঁর এজেন্ট মেন্দেজ। পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যম ‘রেকর্ড’কে তিনি বলেন, ‘ফুটবল মাঠের খেলা আর রোনালদো সেখানে জয়ী। সে ১৫ গোল করেছে (গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে)। রিয়াল মাদ্রিদকে একাই টেনে তাঁদের আবারও শিরোপা জিতিয়েছেন। এটা অদ্ভুতুড়ে এবং লজ্জার ব্যাপার। জয়ী কে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। সে তাঁর পজিশনে সেরা।’
রিয়ালের হয়ে গত মৌসুমে টানা তৃতীয় চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতেন রোনালদো। গত জুলাইয়ে রিয়াল ছেড়ে তিনি নাম লেখান জুভেন্টাসে। পুরোনো ক্লাব সতীর্থের কাছে এই হার রোনালদো কীভাবে নিয়েছেন সেটি অবশ্য জানা যায়নি।