প্রথম আলো শুধু পড়েনই না, লেখেনও তাতে এবং সে লেখা পড়ে যখন তাঁকে কেউ বলেন, তাতে আনন্দ পান বলে জানান শিক্ষাবিদ ও কথাসাহিত্যিক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, প্রথম আলোর নিয়ম–নিষ্ঠা ভালো লাগে, একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য এটা গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম আলো খবরের পেছনের খবর তুলে আনে। প্রথম আলো যেন তার শক্তিটা ধরে রাখে, ক্ষমতার কাছে মাথা নত না করে সত্যের কাছে মাথা নত করে বলে প্রত্যাশার কথা জানান সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম।

প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদন দেখে সে বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছিলেন বলে জানান  বিকাশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের জন্য নিয়তটা পরিষ্কার থাকা গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের যেকোনো প্রতিষ্ঠান বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠতে পারে সঠিক নিয়ত দিয়ে।

প্রথম আলোকে একটি স্মার্ট ইনস্টিটিউশন বলে জানান বেসরকারি সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। পত্রিকাটিকে নিজের প্রতিষ্ঠান বলেই মনে করেন। প্রথম আলো তার পাঠক ও কর্মীদের কাছে দায়বদ্ধ এবং বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে কাজ করে। প্রথম আলো তথ্য–উপাত্ত দিয়ে সুন্দরভাবে খবর উপস্থাপন করছে। কারণ, প্রথম আলো তার কর্মীদের সেভাবেই তৈরি করেছে। প্রথম আলো ভবিষ্যতে পরিবেশ নিয়ে সাময়িকী করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

নন্দিত ও জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর প্রথম আলোতে ছাপা হওয়া তাঁর সাক্ষাৎকারের খবর কেটে তাঁর বাবা দেয়ালে টাঙিয়ে রেখেছেন। প্রথম আলোর সঙ্গে নিজের সম্পর্কটা আবেগের বলে উল্লেখ করেন।