মাঝের এই সময়টায় মহাদুর্যোগ গেছে তাঁর ওপর দিয়ে। আবুল কালাম জানান, মোহাম্মদপুরের বাবর রোডে তাঁর বাসা। শুধু ভাড়াই ১৭ হাজার টাকা। এর সঙ্গে সার্ভিস, গ্যাস, বিদ্যুৎ—সব মিলিয়ে প্রায় ২২ হাজার টাকা পড়ে যায়। তাঁর তিন ছেলেমেয়ে। বড় মেয়ে মেডিকেল টেকনোলজিতে স্নাতক। সম্প্রতি তাঁকে বিয়ে দিয়েছেন। জামাতা প্রকৌশলী। বাহরাইনে থাকেন। মেয়েও সেখানে যাবেন। প্রস্তুতি চলছে। এখন তাঁর বাড়িতেই আছেন। এরপর ছেলে। তিনি দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করে এই বছরই ইন্টার্ন শুরু করছেন। ছোট মেয়ে এবার এসএসসি পরীক্ষা দেবে। ফলে ছেলেমেয়েদের শিক্ষার পেছনেই তাঁর অনেকটা খরচ।

আবুল কালাম জানালেন, কারোনায় গত ২০২০ ও ২০২১ সালে এত মন্দা ছিল যে আয় প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে গিয়েছিল। পত্রিকার কমিশন থেকে এখন যা পাচ্ছেন, তাতে বাড়িভাড়া আর বাজারখরচই চলে না। ধারদেনা করতে হয়েছে। প্রায় আট লাখ টাকার মতো ঋণ হয়েছে। আবার এই বয়সে এসে নতুন কিছু শুরু করবেন, তা–ও সম্ভব নয়।