বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শ্রমিক অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে উল্লেখ করে এই মানবাধিকারকর্মী বলেন, ছোট ছোট কমিটি করে দায়িত্ব ভাগ করে অধিকার আদায়ে কাজ করতে হবে। নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে শ্রমিকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে সবার প্রতি কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য শামসুন্নাহার ভূইয়া। তিনি বলেন, ‘আমেরিকা বলেন আর বাংলাদেশ বলেন, কোথাও কোনো দাবি আন্দোলন ছাড়া আদায় হয়নি। আজকে কিন্তু সেই অবস্থা নেই। ২০১৩ সালে বিভিন্ন কলকারখানায় যে অবস্থা ছিল, তা কিছুটা বদলেছে। আমরা শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মস্থল চাই।’

সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি রাজেকুজ্জামান বলেন, ‘পরাধীন সময়ে ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার যতটা ছিল, স্বাধীনতার পর ততটাই হারিয়েছে। শ্রম আইন পুনঃপরীক্ষা করতে হবে। আইনে শ্রমিক কে, তা সংজ্ঞায়িত করতে হবে। বিদ্যমান আইনে শ্রমিকের ক্ষতিপূরণ–সংক্রান্ত বিধিবিধান যথাযথ নয়। আমাদের শ্রম আইনটা এতটাই জটিল যে এর সরল কোনো ব্যাখ্যা দেওয়াই সম্ভব নয়। যেসব ধারায় শ্রমিকদের শাস্তি দেওয়া যায়, সেগুলো ব্যবহারে সবাই সচেতন। শ্রমিকের অধিকার আদায়ের ধারাগুলো উপেক্ষিত। মালিকদের শাস্তি দেওয়ার ধারাগুলো মানা হয় না।’

বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেসের (ব্লাস্ট) উপপরিচালক মো. বরকত আলীর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্লাস্টের স্টাফ আইনজীবী সিফাত-নূর খানম ও সেফটি অ্যান্ড রাইটস সোসাইটির লিগ্যাল অফিসার হাসিনা খানম। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) যুগ্ম মহাসচিব ওয়াজেদুল ইসলাম খান, কর্মজীবী নারী নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া রফিক বেবী, বাংলাদেশ লেবার ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক এ কে এম আশরাফ উদ্দিন, বিলসের পরিচালক নাজমা ইয়াসমিন, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের নেতা কামরুল আহসান প্রমুখ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন