বন্দর গতিশীল হলে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কেমন পরিবর্তন আশা করছেন?

মোহাম্মদ মুসা: মোংলা বন্দরে একসময় ঠিকমতো জাহাজ আসতে পারত না। প্রতিবছর লোকসান হচ্ছিল। বর্তমান সরকারের নানামুখী উদ্যোগে বন্দর ঘুরে দাঁড়িয়েছে। মোংলায় ইপিজেডসহ এ অঞ্চলে নতুন নতুন শিল্পকারখানা গড়ে উঠছে। বন্দরের আশপাশে ৬টি সিমেন্ট ও ১৪টি এলপিজি কারখানা রয়েছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এখানে শিল্পকারখানা স্থাপন ও বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছেন। ভবিষ্যতে মোংলা হবে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক হাব।

মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে কী কী উদ্যোগ নিচ্ছেন?

মোহাম্মদ মুসা: মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে ৬ হাজার কোটি টাকার একটি আপগ্রেডেশন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। আগামী বছর এর কাজ শুরু হবে। ড্রেজিং, সহকারী জলযান ক্রয়, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ ছয়টি প্রকল্পের কাজ চলছে। বড় জাহাজ আসার জন্য খনন চলছে। আগামী বছরের জুনের মধ্যে এই কাজ শেষ হবে।

এই মুহূর্তে মোংলা বন্দরের জন্য চ্যালেঞ্জ কী।

মোহাম্মদ মুসা: মোংলা বন্দরের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নাব্যতা। সমুদ্র থেকে ১৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ বন্দর চ্যানেল। নাব্যতা ঠিক রাখতে ইতিমধ্যে বন্দরের আউটার বার খনন শেষ হয়েছে। ইনার বার (২৩ কিলোমিটার) খনন চলছে। ফরিদপুরের ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মোংলা বন্দরের দূরত্ব ১২০ কিলোমিটার। যানবাহনের চাপ সামাল দিতে যত দ্রুত সম্ভব এই পথটাকে ছয় লেনে উন্নীত করতে হবে। বিমানবন্দরের কাজ শেষ করতে হবে। খুলনা-মোংলা রেলপথের কাজ চলছে। এসব কাজ শেষ হলে মোংলার সঙ্গে সরাসরি সড়ক, নৌ, রেল ও বিমান যোগাযোগ তৈরি হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন